
“আমাকে দু’পাতা অ্যাসিটিলস্যালিসিলিক অ্যাসিড ট্যাবলেট দেবেন প্লিজ।”
নাম শুনে বেজায় ঘাবড়ে গিয়ে ওষুধওয়ালা মালিককে ফোনটোন করে ফিরে এসে রেগে গিয়ে বলে, “ও। অ্যাসপিরিন চাইছেন। তা সেটা বললেই হয়!”
“কী করব,” ঘাড় নেড়ে রোগী বলল, “আমার আজকাল কিচ্ছু মনে থাকে না যে!
———
হিপনোটিস্টের চেয়ারে বসে রোগি (কাঁদতে কাঁদতে)- ডাক্তারবাবু, কাল আমি জীবনে (ভেউ ভেউ ভেউ) প্রথমবার চুরি করেছি। এত বছর সৎভাবে জীবন কাটাবার পর এই প্রথম আমি পাপ করলাম!! ভুলিয়ে দিন—আমায় ভুলিয়ে দিন। বিবেকের দংশনে আমার বুক ছিন্নভিন্ন হয়ে গেল।
ডাক্তার (মনে মনে)- উঃ আবার! এ মাসে ছবার হল যে!
———-
রোগিঃ ডাক্তারবাবু, রাতে ঘুম হয় না। শুধু মনে হয় খাটের নীচে কে যেন লুকিয়ে আছে।
ডাক্তারঃ হুম। কঠিন রোগ। দুবছর সময় নেবে সারতে। হপ্তায় একবার করে সিটিং দিতে আসবেন। ভিজিটপ্রতি ফি এক হাজার, কেমন!
দু সপ্তাহ পর ডাক্তারের সঙ্গে রোগির বাজারে দেখা।
ডাক্তারঃ আরে, আপনি এলেন না যে!
রোগিঃ আমি সেরে গেছি।
ডাক্তারঃ সে কী ? কে সারাল? কত পড়ল?
রোগিঃ সারতে পাঁচ হাজার টাকা রোজগার হয়েছে ডাক্তারবাবু। আমি খাটটা পাঁচ হাজারে বেচে দিয়ে এখন মেঝেয় শুচ্ছি।
———-
লজ্জা পাবার জিনটাকে এখনো খুঁজে পাওয়া যায়নি। ভারী লাজুক তো!