গত শীত ২০১৮ (জয়ঢাক ৬৭) সংখ্যার উত্তরঃ
প্রথম ধাঁধাঁঃ এই মূদ্রামূল্যের লেনদেনটাই একমাত্র লেনদেন যাতে একশোটাকা থেকে শুরু করে তার নীচের সমস্ত মূল্যের টাকা আর পয়সা একটা করে নিয়ে গোটা লেনদেনটাবানানো যায়।
দাম=১০ টাকা সাতাশি পয়সা। দিল একশো টাকা। ফেরত এল ৫০ টাকা+২০ টাকা+১০ টাকা+৫ টাকা+২ টাকা+১ টাকা+৫০ পয়সা+২৫ পয়সা+১০ পয়সা+৫ পয়সা+২ পয়সা+১ পয়সা = ৮৯ টাকা ১৩ পয়সা)
দ্বিতীয় ধাঁধাঃ হাতঃ দুর্গা=১০, গণেশ=৪ বাকি তিন ঠাকুর আর এক অসুর= ৮, একুনে ২২ পাঃ ঠাকুর+অসুর=১২ + বাহন ৪(সিংহ)+৪(ইঁদুর)+২+২+২(ময়ুর, হাঁস,প্যাঁচা) +৪ (মোষ), একুনে ৩০।
তৃতীয় ধাঁধাঃ ৩। ডানদিকের সখ্যাগুলো বাঁদিকের সংখ্যাগুলোয় কতগুলো গোল ফুটো আছে তাই গুণছে। অতএব…
চতুর্থ ধাঁধাঃ সঙ্গের ছবিটা দেখো। এখানে এলাকাটার ক্ষেত্রফল = (৩ কাঠি, ৪ কাঠি ও পাঁচ কাঠি ধারযুক্ত একটা সমকোণী ত্রিভূজের ক্ষেত্রফল) মাইনাস (দুই কাঠি ও এক কাঠি দৈর্ঘ্য-প্রস্থের একটা আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল) = ৬-২ = ৪
পঞ্চম ধাঁধাঁঃ 
ষষ্ঠ ধাঁধাঁ
গাড়িটা হুডখোলা কনভার্টিবল ছিল।
সপ্তম ধাঁধাঃ
যে লম্বা তার হাতও লম্বা। বেঁটে যদি কাঁধে চাপত তবে তার বেঁটে হাত অপরে পৌঁছোত না।
অষ্টম ধাঁধাঃ
দশটা বাঁশি। এই দ্যাখো।
নবম ধাঁধাঃ এক দৃঢ়প্রতিজ্ঞ কেঁচো একটা ব্লেডের ধার দিয়ে এপার ওপার করবার চেষ্টা করছে।
দশম ধাঁধাঃ সুষেণ বলল, “লোকটার হিক্কা উঠছিল বলে জল চাইছিল। আমি লাঠি দিয়ে একটু চমকে দিতে হিক্কা সেরে গেল।