বই পড়া নতুন বই-নীলু ট্রিলজি রিভিউ-তাপস মৌলিক শীত ২০১৬

booknotun

অনেকদিন আগে, দেশ যখন স্বাধীন হয়নি, দুই বাংলা যখন এক ছিল, সেই সময়কার গল্প হলো ‘সকালবেলার আলো’। পদ্মানদীর বাঁধের পাশে ছোটো একটা কলোনি। কলোনির শিয়র ঘিরে সারিবাঁধা বন, বনের ওপারে মস্ত হরধনুর মতো বাঁকানো আছে রেললাইন, গভীর রাতে মেলট্রেনের গুমগুম আওয়াজ শোনা যায়, লাইনের এধারে-ওধারে ভারি সুন্দর কয়েকটি ছোটো গ্রাম। সেই কলোনির একপ্রান্তে থাকত নীলমাধব ওরফে নীলুরা। ছিল নীলুর প্রাণের বন্ধু বরুণ আর কেশব। একই স্কুলে পড়ে ওরা, স্কুলের বাইরেও প্রায় সবসময়ই একসঙ্গে। সবাই বলত ‘তিন রত্ন’। একসঙ্গে ভোরবেলায় পদ্মার চরে বেড়াতে যাওয়া, সন্ধ্যেবেলা নদীর ঘাটে ভেড়া সারি সারি জেলেনৌকো থেকে দরদাম করে ইলিশ কেনা, তারপর হঠাৎ কালবৈশাখী এলে দে ছুট ছুট। ছিলেন গ্রামের স্কুলের স্যার গগনবাবু, নির্মলবাবু; ছিল ডাকাবুকো ছেলে বুল্টু আর তার সাঙ্গোপাঙ্গরা; ছিল আধপাগলা ছেলে বিজয়পাগল। বরুণের সাধের ফাউন্টেন পেন চুরি যাওয়া, বুল্টুর শাস্তি, স্কুলের হকি ম্যাচ, সেই খেলায় বুল্টুর হিট করা বল লেগে গগনবাবুর কপালে চোট, গরমের ছুটিতে গগনবাবুর সঙ্গে রেললাইন পেরিয়ে রূপপুর গ্রামে বেড়াতে যাওয়া – সেই বুল্টুর সঙ্গেই – এমনি করেই কেটে যাচ্ছিল নীলুর স্কুলবেলার মায়াবী দিনগুলো।

তারপর একদিন ছাড়াছাড়ি হয়ে গেল তিন বন্ধুর। রোগাভোগা কেশব একেবারেই চলে গেল পৃথিবীর মায়া কাটিয়ে, আর বরুণরা বদলি হয়ে গেল অন্য টাউনে – বরুণের বাবার যে বদলির চাকরি। বরুণদের চলে যাওয়ার দিন ওদের সঙ্গে স্টেশনে আসে নীলু, বন্ধুকে বিদায় জানাতে। ট্রেন আসে প্ল্যাটফর্মে, বরুণ উঠে বসে জানালার ধারে, তারপর প্ল্যাটফর্ম খালি করে পদ্মানদীর ব্রিজ পেরিয়ে ঝম ঝম ঝম ঝম শব্দে ট্রেন চলে যায়, কয়লার ইঞ্জিনের ধোঁয়া ধীরে ধীরে মিলিয়ে যায় দিগন্তে। নীলুও আস্তে আস্তে বড় হচ্ছে। স্টেশনে দাঁড়িয়ে সে ভাবতে থাকে, সেও একদিন চলে যাবে এই গ্রাম ছেড়ে, ওই ব্রিজ পেরিয়ে। তাকে যেতে হবে একলা, একেবারে একা।

তারপর স্বাধীনতা এল, দু-টুকরো হয়ে গেল দেশ। সেই সময়ে পুজোর ছুটিতে একবার তাদের গ্রামের বাড়িতে চলেছে নীলু। সেখানে একটি কিশোর তার চোখের সামনে দেখতে পাচ্ছে কীভাবে অনেকে ছেড়ে আসতে চাইছে তাদের চিরদিনের দেশ, আর সেইসঙ্গে পিছনে পড়ে থাকছে হারিয়ে যাওয়া কত প্রিয়জন, কত প্রিয়ছবি। শুরু হয় নীলু ট্রিলজির দ্বিতীয় পর্ব ‘সুপুরিবনের সারি’।

ঝগ-ঝগ ঝগ-ঝগ জল কাটতে কাটতে এগিয়ে চলেছে স্টিমার, ডেকের ওপর রেলিং ধরে দাঁড়িয়ে আছে নীলু। অন্যবার মামাতো-পিসতুতো ভাইবোনেরা সবাই থাকে সঙ্গে, পুজোর ছুটির একমাস মামাবাড়ি সরগরম। এবার ছোটদের মধ্যে নীলু একা। ভাইবোনেরা যাচ্ছে না কেউ, কেননা দেশ নাকি ভাগ হয়ে গেছে। নীলুদের গ্রামটা নাকি এখন অন্য একটা দেশ। মামাবাড়ির সকলেও নাকি ও গ্রাম ছেড়ে চলে আসবে। মামারা যাচ্ছে, দাদুর সঙ্গে এই নিয়ে কথা হবে এবার।

 হুলার হাটে স্টিমার থেকে নেমে নৌকোয় ওঠা। নৌকো চলেছে নদী বেয়ে। হাল ধরে আছে বুড়ো মাঝি রহমত, বৈঠা বাইছে তার দুই ছেলে ইয়াকুব আর ইয়াসিন। নীলু বসে থাকে ছইয়ের ওপর। বসে বসে ভাবে। মামাবাড়িতে ঠাকুর গড়া নিশ্চয়ই শেষ এখন। এবারে কি বাবু কার্তিক? না সেনাপতি কার্তিক? প্রতিবার সে আগেভাগে চিঠি লিখে দেয় দাদুকে, যাতে সেনাপতি কার্তিক গড়া হয়। এবারে অবশ্য মা বলে দিয়েছে, কোনও বায়না নয়, পুজো এ বছর স্রেফ নমো নমো করে। মামাবাড়িতে তো নেই কেউ তেমন! শুধু দাদু, দিদা, সেজোমামা, ফুলমামী আর কাজের লোক কুঞ্জ। সেজোমামা তো থাকে আপন খেয়ালে, দেশোদ্ধারের নেশায় – কখনও আছে নাটক নিয়ে মেতে, কখনও বলছে গ্রামে একটা ভালো স্কুল দরকার, কখনও আবার মনে হয় এখুনি একটা ভালো হাসপাতাল তৈরি না করলে চলছে না আর। আর ফুলমামী নাকি পাগল হয়ে গেছে, সবাই বলে। নীলুর কিছুতেই বিশ্বাস হয় না। এবারে গিয়ে পরীক্ষা করে দেখতে হবে, সত্যি কিনা! ফুলমামীর কাছে বসে কতজনের কত কবিতা পড়েছে নীলু, মামীর লেখা কবিতাও। যদি বা পাগলই হয়ে যায়, তবে কি আর কবিতা লিখবে না ফুলমামী? দেখতে হবে।

পুজো এবারে জমে না তেমন নীলুর। দাদুর সঙ্গে বাজার করতে যাওয়া, দিদিমা মা বড়মামীর সঙ্গে ঘুরে ঘুরে ঠাকুর দেখা, ফটিককাকুর ধুনুচিনাচ – সবই আছে, কিন্তু কোথায় যেন সুর কেটে গেছে এবারে। নীলুর বন্ধু হারুন, দাদুর আদরের আবদুল ঘরামির ছেলে, তার সঙ্গে, তার ভাইবোনেদের সঙ্গে প্রতিবার কত খেলা হত নীলুর, হারুনই তো নীলুকে সাঁতার শিখিয়েছিল, সেই যে একবার পুকুরে ডুবে যেতে বসেছিল, হারুন বাঁচাল, তারপর। সেই হারুন তো একবারও এল না এবার। এল না তার মা-বাবাও। গ্রামে পুজোও এবারে কম অনেক, দিদিমাকে দেখানোর জন্য আটটা প্রতিমা খুঁজে বার করাই মুশকিল। সেজোমামা সারাদিন কাছারিঘরের চৌকির ওপর বুকের নিচে বালিশ দিয়ে উপুড় হয়ে শুয়ে তাদের অদূর ভবিষ্যতের কলকাতার বাড়ির নকশা আঁকছে; বড়মামা দাদুকে বোঝায় – এখানে থাকাটা বোধহয় ঠিক হবে না আর।

হারুন আসবে না তো কী হয়েছে? নীলু নিজেই যাবে হারুনদের বাড়ি। অষ্টমী চলে গিয়ে নবমীও যায় যায়, এখনও দেখাই হল না হারুনের সঙ্গে। কিন্তু হারুনের বাড়ি গিয়ে নীলু অনুভব করে – কেমন যেন পালটে গেছে সবাই। কাঠ কাঠ ব্যবহার, ভালো করে কথা বলে না কেউ। নীলু বলতে যায়, এবারে তার মামাতো-পিসতুতো ভাইবোনেরা আসেনি কেউ, সব কেমন ফাঁকা ফাঁকা। হারুন মুখের ওপর বলে দেয়, আর আসবেও না ওরা, এটা তো আর তোদের দেশ না, তোরা এখন অন্য দেশের লোক। বুকে ভারি একটা পাথর নিয়ে নীলু পায়ে পায়ে ফিরে আসে বাড়িতে, আসার পথে মনে মনে গুনগুন করে কয়েকটা শব্দ – সুখের দুটো পায়রা – সুখের দুটো পায়রা এসে বসছে জুড়ে একটি ডাল – আরে! এটা কি একটা কবিতা নাকি? এইরকম করে লেখে নাকি কবিতা? এইরকম করে লেখে ফুলমামী? ফুলমামীকে শোনাতে হবে তো এখুনি! একা একা থাকে ফুলমামী, কখনও চিলেকোঠার ঘরে, কখনও সিঁড়ির নিচের আঁধার কুঠুরিতে চুপ করে বসে থাকে, কারও সঙ্গে মেশে না, কারও সামনে আসে না। নীলু তো প্রায় দুদিন দেখাই পায়নি তাঁর, তারপর বার করেছে খুঁজে। আস্তে আস্তে নীলুর সঙ্গে কথা বলতে, সহজ হতে শুরু করেছে ফুলমামী। নীলুদের খিড়কিপুকুরের পেছনে, অনেকটা দূরে, দাঁড়িয়ে আছে এক ভাঙা বাড়ির স্তূপ, জঙ্গল হয়ে গেছে চারপাশে, ভেতরে; দিনের বেলাও কাছে দাঁড়ালে গা ছমছম করে। ফুলমামী নীলুর কাছে বায়না ধরে, নিয়ে যেতে হবে সেই বাড়িতে। দশমীর দিন দুপুরে, দুর্গাপ্রতিমা বরণ শেষ হয়ে যাওয়ার পর, নীলু আর ফুলমামী পায়ে পায়ে চলে সেদিকে, গ্রামের লোকে যেটাকে বলে ছ’আনি বাড়ি। নীলু পকেট থেকে কাগজ বার করে একটুকরো, ফুলমামীকে শোনায় তার প্রথম লেখা কবিতা। তারপর ভরসন্ধেবেলা বাড়ি ফিরে দুজনেই বকা খায় খুব, না বলে যাওয়ার জন্য।

রাত্রিবেলা ঠাকুর ভাসান। বিসর্জনের ধুমধাম শেষে, মণ্ডপে এসে শান্তিজল নিয়ে বিজয়া করার পর শেষরাতে ঘুমোতে যায় নীলু। পরদিন ঘুম ভাঙে বেলা করে। ঘুম ভেঙে শোনে সে, ফুলমামীকে পাওয়া যাচ্ছে না কোথাও, বাড়িতে নেই, কোত্থাও নেই।

 আর পাওয়াই যায় না ফুলমামীকে। দ্বাদশীর দিন নীলুদের ফিরে যাওয়া। অন্যবার পুজোর ছুটির একমাসই কাটত এখানে, এবারে তাড়াতাড়ি ফেরা। যাত্রা করার সময় আসে। বড়োদের প্রণাম করে আমের পল্লব বসানো সিঁদুর মাখানো একটা ঘটের কাছে মাটিতে মাথা রেখে মনে মনে চাইতে হয় বিদায়, তারপর সেই কলসের টলটলে জলে নিচু হয়ে নিজের মুখের ছায়া দেখে বলতে হয় – আবার আসব। কিন্তু, এবারে মনে মনে ‘আবার আসব’ বলতে গিয়েও আটকে যায় নীলুর। কী হবে বলে? সত্যি তো নয় সেটা। মিছিমিছি এরকম বলা কি ঠিক?

 বুড়ো রহমতের নৌকো ছেড়ে দেয়। বৈঠা বাইতে শুরু করে ইয়াকুব ইয়াসিন। খাল ছেড়ে যখন নদীতে পড়বে নৌকো, বাঁক নেবার মুখে, হাটখোলার কোণে, উলটে রাখা প্রকাণ্ড এক মাটির জালার ওপর বসে সবুজ একটা রুমাল ওড়াচ্ছে কে? কে ওটা? চমকে উঠে নীলু দেখে, হারুন। চিৎকার করে বলে হারুণ, “এই-যে আমি নীলাই। এই-যে রে। আসিস কিন্তু আবার, সামনের বার। আসবি তো?”

নীলু চুপ করে থাকে। নদীর পাড়ি ধরে হাঁটতে শুরু করে হারুন, আর মাঝে মাঝে বলে, “কী রে, কথা কইস না ক্যান, আসবি তো?” উত্তর দেয় না নীলু। যাত্রা করবার সময়ে জলের ছায়ায় নিজের মুখ দেখেও তো বলেনি সে কিছু। এখনও বলতে পারে না, চলন্ত নৌকোর ছই থেকে নিমেষহারা তাকিয়ে থাকে হারুনের চোখে চোখে।

 তারপর, নিজেদের ভিটেমাটি ছেড়ে মস্ত এক অচেনা শহর কলকাতায় এসে পৌঁছল এক কিশোর। শহরের পথে পথে, আর অলিতেগলিতে, একটু একটু করে সে দেখে নিচ্ছে কত মানুষজন, চোখের সামনে খুলে যাচ্ছে শিল্পের সংস্কৃতির রাজনীতির নতুন কত জগৎ। সে কিশোর এগিয়ে চলেছে ছমছমে এক যৌবনের দিকে। শুরু হল নীলু ট্রিলজির তৃতীয় ও শেষ পর্ব ‘শহরপথের ধুলো’।

বআগত উদ্বাস্তুদের ভিড়ে পা রাখার জায়গা নেই শিয়ালদা স্টেশনে। ট্রেন এসে থামে সেখানে। তারপর ঘোড়ার গাড়ি চড়ে বেলগাছিয়ায় এক ঠাকুমার বাড়িতে আশ্রয় – ঠাকুমা নীলুর বাবার এক দূরসম্পর্কের মাসি। আরও অনেক আত্মীয়স্বজন সাময়িক আশ্রয় নিয়েছে সেখানে। দোতলার দুখানা ছোটো ঘর, দু’ফালি টিনের পাতের বারান্দা, তাতে মোট তেইশজন। রাত্রে নীলুর ঘুমনোর জায়গা হয় একতলার এক ঘরের টিনের চালার ওপর, খোলা আকাশের নিচে।

ঠাকুমার বাড়িতে নিত্য আসাযাওয়া চিমনিকাকুর, ভালো নাম চিন্ময়, ঠাকুমার স্নেহের পাত্র, যে কোনও দরকারেই ডাক পড়ে তাঁর। সেই চিমনিকাকুর সঙ্গে খুব ভাব হয়ে যায় নীলুর। চলে তাঁর সঙ্গে ঘুরে ঘুরে কলকাতা শহর চেনা – ময়দানের খেলার মাঠ, মধ্য কলকাতার অলিগলি, কলেজ স্ট্রীট, বাগবাজার – ধীরে ধীরে পরিচয় হয় কলকাতার সংস্কৃতি আর রাজনীতির জগতের সঙ্গে, পরিচয় হয় শহরের সাধারণ মানুষজনের সঙ্গে, পূর্ববাংলা থেকে আগত উদ্বাস্তুদের প্রতি কলকাতার সাধারণ লোকের বিদ্বেষ আর অবজ্ঞার সঙ্গে।

কিছুদিন পরই হোস্টেলজীবন শুরু হয় নীলুর -ভর্তি হয় সে রামকৃষ্ণ মিশনের এক স্টুডেন্টস হোমে। নিয়মনিষ্ঠ অনাড়ম্বর জীবন, নিজের সব কাজ নিজেকেই করতে হয় সেখানে, বাসন মাজা, কাপড় কাচা – পালা করে পালন করতে হয় বাজার করা, আরতির দায়িত্ব। নিজের পায়ে দাঁড়ানোর শিক্ষা শুরু হয় তার। নতুন বন্ধু জোটে অনেক, ঘনিষ্ঠতা জন্মায় তাদের দু’একজনের সঙ্গে। শুরু হয় সাহিত্য-সংস্কৃতি-কবিতাচর্চার প্রথম পাঠ – নীলুর কবিতা লেখা।

মাঝে মাঝে কি নীলুর মনখারাপ হয় না? নিশ্চয়ই হয়। কোথায় পূববাংলার উন্মুক্ত প্রকৃতি, ধানক্ষেত, জলজঙ্গল, খালবিল, আমবাগান – দাদুর বাড়ি, চন্ডীমন্ডপ, তাদের গ্রামের সেই স্কুল, পদ্মাপার – আর কোথায় ইট-কাঠ-কংক্রিটের সঙ্কীর্ণ গলিঘুঁজির জালে ধূলিধুসরিত লোকে-লোকারণ্য ব্যস্তসমস্ত শহর কলকাতা! নীলুর কিশোর সবুজ মন বাস্তবের ধূসর জমিতে আছড়ে পড়ে। কিন্তু তাই বলে তার মন এই শহরকে ঠেলে দূরে সরিয়ে দেয় না। বুকের ভেতর সেই ছায়াসুনিবিড় শান্তির নীড় গ্রামখানিকে সযত্নে আগলে রেখেও আপন করে নেয় এই শহরপথের ধুলোকে, হাতে-পায়ে-সারাগায়ে-অনুভবে মেখে নিতে চায়। জগতের গলিঘুঁজি না চিনলে তার মন পোক্ত হবে কী করে? জনতার চলাচলের রাস্তার কংক্রিটে না ঘষলে তার কলম কী করে হবে তীক্ষ্ণ, ধারালো? কী করে তা গভীর আঁচড় কাটবে পাঠকের মনে? নীলুকে যে লিখতে হবে! অনেক বড়ো লেখক হতে হবে!

 বই পড়া -সমস্ত লেখার লাইব্রেরি

1 thought on “বই পড়া নতুন বই-নীলু ট্রিলজি রিভিউ-তাপস মৌলিক শীত ২০১৬

  1. আমার ছোটবেলায় প্রাইজ পাওয়া বই সকালবেলার আলো।খুব দু:খ হয়েছিল পড়ে,মনে আছে,কেশব চলে গেল,কি হাহাকার মনে।আর মনে আছে পি সি চল যাই.

Leave a Reply