বাঘুম, তুমি নও কি বাঘ দেখাও কেন অমন রাগ?
বাঘ-বাঘুমে গুলিয়ে ফেলে ভয়েই এখন ঘামছি।
বললে মাথা করবে হেঁট ভয় পেত জিম করবেট
আমায় দেখে, আর কিছু না— সে গল্প নয়, থামছি।
গল্প তুমি বলবে কী যে বলতে পারি আমিই নিজে।
করবেটজি বাড়ি আসত বন্ধু ভীষণ দাদুর।
সে’সব কথা বইতে লেখা গড়ের মাঠে দু’জন দেখা
বাঘকে দেখে আদর করে চেঁচিয়ে বলত ‘আদুর।’
বাঘুম বলে, ক্যায়সে বাতে হেঁটে গিয়ে চম্পাওয়াতে
গাছের টঙে বসে ছিলেন করবেটসা’ব একাই
বাঘুম তুমি এতই জানো লেখা আছে, চাই প্রমাণও?
বিল্টু এবং বিশুদেরকে বইটা খুলে দেখাই?
সে বই লেখা ব্যাঘ্রলিপি বুঝবে কী হে? পিঁপির পিঁপি
বাঘুম ছাড়া পড়বে তুমি? বইটা জানি ছাপা নেই
আমি এখন ক্লাস ফাইভে আচার চাখি আলতো জিভে
লেখাপড়ায় কমতি বটে এ নিয়ে কুছ হ্যাপা নেই।
করবেটজি বীর শিকারী এই কথাটা মানতে পারি
আমায় দেখে হেসে বলত বাঘুম রে, তুই বাঘ না?
চিঠির উপর ‘বাঘুম’ লিখে পাঠিয়ে দিচ্ছি চারিদিকে
কেয়ার অফ-এ লিখে দিলাম ‘বাঘের পুঁচকে ভাগনা’

1 thought on “বাঘুমকে চিঠি রতনতনু ঘাটী”