
গরম নাকি দেখতে বেঁটে কালো,
পায়েতে নখ , মাথাতে তার শিং,
হাতের ছড়ি ঘুরিয়ে মাঠে ঘুরে
নিজেকে ভাবে এই ধরারই কিং।
নিজের পোশাক জমকালো বেশ দামি
এলাকাতে নাম ডাক তার খুব,
বর্ষা এলেই পোশাকটা জ্যাবজ্যাবে
মুখ লুকিয়ে কোথায় যে দেয় ডুব।

বর্ষা কখন ফর্সা- অন্ধকার
বুঝিনা ভাই এই কি রূপের মানে
পোশাকটা তার ভীষণ আলুথালু
লুকোচুরি খেলতে ভালই জানে।
শরৎবাবু ভীষণ পরিষ্কার
দিবসে মেঘ রাতের বেলায় তারা,
মেঘ শিকারায় চাপিয়ে মনের ঝাঁপি
মাতিয়ে বেড়ায় দাপিয়ে সকল ধরা।
হেমন্ত কি ঘুমিয়ে থাকে সদাই
নইলে সে কি ভীষণ লাজুক নাকি,
কখন যে সে আসে কখন যায়
দেখতে যে পায় সে জন ভীষণ লাকি।

ঠান্ডা নাকি দেখতে ভীষণ মোটা
বড্ড শীতে খুব গিয়েছে জমে,
অনেক ভায়াই তার জ্বালাতে কাবু
সিঁটিয়ে থাকে শীত দাদারই নামে।
শীত কি থাকে সবখানেতেই ঘিরে
ভারখোয়ানক্স কিংবা অ্যান্টার্কটিকা,
কর না রে সার্চ গুগুল দাদার ঘরে
সব কিছুই তো সেথায় আছে লেখা।

কোট জ্যাকেটে মুড়িয়ে শরীরটাকে
শীত নাকি খুব মিষ্টি সাদা রঙ এ,
দাঁড়িয়ে থাকে ম্যালের গলির মুখে
গোল্ডরাশেরই চ্যাপি দাদার ঢঙে।
বছর শেষে বসন্তটা আসে
সবসময়ই মেজাজটা ফুরফুরে,
চায় না যেতে বাংলাদেশের থেকে
আসতে যে চায় সদাই ঘুরেফিরে।
যখন যে যার টপ ফর্মে রয়
ভাসিয়ে বেড়ায় ধরার সকল লোকে,
গ্রীষ্মে পোড়ে ধরার সকল কণা
জীবন্তরা থাকে গভীর শোকে।।
