গল্প-পঞ্চম মাত্রা-মল্লিকা ধর-শরৎ’২৬

মল্লিকা ধরের আগের লেখা- তৃণার স্বপ্নপৃথিবী(উপন্যাস)আশ্চর্য নীল আয়না, শূন্যান্তর, হাতি ও সাপ

এক

বাইরে আশ্বিনের নক্ষত্রখচিত রাত্রি। ঘরে বৈদ্যুতিক আলো জ্বলছে। সাদা চুনকাম করা দেওয়ালের পাশ ঘেঁষে একটা চৌকি। চৌকিতে পাতলা তোশকের উপরে চাদর বিছানো বিছানা। বিছানার উপরে ভীষণ জ্বরে পুড়ে যাচ্ছে ঝিনি।

ওর মাথাটা একটু এগিয়ে রাখা যাতে চৌকির বাইরে পড়ে। একটা পলিথিনের চাদর মাথার নিচ থেকে মেঝে অবধি। একটা গামলা বসানো সেখানে। ওর দিদা মাথায় আস্তে আস্তে জল ঢালছেন আকাশি রঙের প্লাস্টিকের মগ দিয়ে। তিরতির করে জল পড়ছে নীচে গামলায়। জলের উপর জল, জলের উপর জল। কয়েক ফোঁটা জল কানের পাশ দিয়ে গড়িয়ে গেল, শিরশির করছে ঝিনির। সে একটু কাঁপল, জ্বরজড়ানো স্বরে কী একটা বলল। দিদা একটা লাল গামছা দিয়ে ওর মাথা মোছাতে শুরু করলেন।

ঝিনি চোখ বুজল। আর তখনই দেখতে পেল একটা সবুজ রঙের ঘর। ঘরের দেওয়ালের রঙ হালকা সবুজ। দোতলা বা তিনতলার ঘর। একদিকের খোলা জানালার বাইরে একটা গাছের মাথা দেখা যাচ্ছে। ঘরটার দরজা ঘন সবুজ রঙের। দেয়ালে বিশাল একটা ক্যালেন্ডার ঝুলছে। ক্যালেন্ডারে সমুদ্রতীরের ছবি, ঢেউ ফেনা বালি নারকেল গাছ এইসব। কোথাকার ঘর এইটা? কাদের ঘর? কত বড়ো বড়ো জানালা, কত আলো আসছে, কত হাওয়া আসছে। স্নিগ্ধ হাওয়া।

বেশ অনেকদিন ধরে জ্বর চলছে ঝিনির। জ্বরের ঘোরের মধ্যে মাঝে মাঝেই ঘরটা দেখতে পায় সে। কেন?

ঝিনির এক যমজ বোন ছিল, রিনি। বাড়ির বড়োরা ওদের একসঙ্গে রিনিঝিনি বলে ডাকতেন। ওদের জন্মের পরেই ওদের মা অসুখে পড়েন। চিকিৎসায় ভালো হয়ে উঠছিলেন, কিন্তু ভালো হয়ে ওঠার মুখে একদিন সব শেষ হয়ে গেল হঠাৎ। দুটি সদ্যোজাতা কন্যা রেখে ওদের মা পরলোকে গেলেন। মায়ের কোনো স্মৃতি নেই ঝিনির। শুধু ছবিতে তাঁকে দেখেছে। আর গল্প শুনেছে দাদু-দিদাদের কাছ থেকে।

রিনি আর ঝিনি মামাবাড়িতেই মানুষ হচ্ছিল। কাছের একটি ভালো স্কুলে ভর্তি হয়েছিল। পড়াশোনার পাশে পাশে ভর্তি হয়েছিল নাচের স্কুলেও। সবই ভালোই চলছিল। তারপর যখন ওরা ক্লাস থ্রি-তে, তখন এক অদ্‌ভুত ঘটনা ঘটে গেল।

রিনি হারিয়ে গেল। পুলিশে খবর দেওয়া হল। তাছাড়া বাড়ির লোকেরাও অনেক খোঁজাখুঁজি করলেন। কিছুতেই কিছু হল না, ছোট্ট মেয়েটা যেন বাতাসে মিলিয়ে গেল, স্রেফ উবে গেল।

অথচ সে সেদিন স্কুলে পর্যন্ত যায়নি, বাগানে খেলছিল। ঝিনিও সেদিন স্কুলে যায়নি, বাগানে রিনির সঙ্গে খেলছিল। রান্নাবাটি খেলা। একসময় ঝিনি জল খেতে ঘরে এল। জল খেয়ে ফিরে গিয়ে দেখল কেউ নেই, সব ভোঁ ভাঁ। তারপর তো কত হৈ চৈ, কত খোঁজাখুঁজি, কত কিছু। কিন্তু কোনো ফল হল না। রিনিকে আর খুঁজে পাওয়া গেল না।

সেই সব কয়েক বছর আগের কথা। এখন ঝিনি বারো বছরের কিশোরী, ক্লাস সেভেনে উঠেছে। ঝিনির বাবা মাঝে মাঝে দেখতে আসেন কয়েক মাস পর পর। এমনিতে ওর চারপাশে এ বাড়িতে দিদা, দাদু, ছুটিমাসি আর কুট্টিমামা আছেন। কুট্টিমামা সদ্য চাকরি পেয়েছেন রাজধানী শহরে, সেখানে চলে যাবেন। ছুটিমাসিরও ক’দিন পরেই বিয়ে হয়ে যাবে, চলে যাবেন উত্তরের পাহাড়ী শহরে। তখন বাড়ি আরও ফাঁকা হয়ে যাবে।

রিনির হারিয়ে যাবার দিনটা, বাগানের আমগাছতলায় ওদের রান্নাবাটি খেলা, ওই সময়টার কথা মনে করতে গেলে কীরকম যেন একটা ধাক্কা খায় ঝিনি। কী যেন একটা হয়েছিল সেখানে, কিন্তু সেটা যে কী তা কিছুতেই মনে করতে পারে না। হঠাৎ ভীষণ জলতেষ্টা পেয়েছিল, সেটা মনে আসে, কিন্তু ঠিক তার আগে কী হয়েছিল মনে পড়ে না।

গত কয়েক মাস ধরে মাঝে মাঝেই জ্বরে পড়ছে ঝিনি, আর জ্বর হলেই জ্বরের ঘোরে স্বপ্নের মতন নানা দৃশ্য দেখতে পায় সে। কয়েক মাস আগে, এই জ্বর শুরু হবার ঠিক আগে আগেই রিনিকে স্বপ্নে দেখেছিল সে। সেই ছোটো রিনি না, এই ঝিনির সমবয়সী হয়েই সে এসেছিল স্বপ্নে।

একটা নীল জানালার ঘন খয়েরি ভেলভেট পর্দা সরিয়ে হাসি হাসি মুখে ডাকছিল, “ঝিনি, ঝিনি, ঝিনি।”  

ঝিনি স্বপ্নের মধ্যে গলা ফাটিয়ে ডাকতে গিয়েছিল ‘রিনি ই ই ই’, কিন্তু কোনো শব্দ বের হয় নি। তারপরেই ঘুম ভেঙে গিয়েছিল। কেজানে এই জ্বরের সঙ্গে সেই স্বপ্নের যোগ আছে কিনা।

ডাক্তারেরা ঝিনিকে পরীক্ষা করে জ্বরের তেমন কোনো গুরুতর কারণ খুঁজে পান নি। সাধারণ জ্বরের ওষুধ দিয়েছেন। সেই ওষুধে সাময়িকভাবে সারলেও জ্বরটা মাঝে মাঝেই ফিরে আসছে ঝিনির।

দিদা এখন মাথার জল মুছিয়ে দিয়ে হাতপাখা দিয়ে আস্তে আস্তে হাওয়া করছেন।

ঝিনি বলল, “দিদান, একটা গল্প বলবে? মায়ের গল্প? ছবিতে দেখেছি মাকে, রিনি মায়ের মতন দেখতে ছিল। আমি অমন না। আমরা যমজ বোন, কিন্তু দেখতে কত আলাদা!”

দিদা বললেন, “হ্যাঁ, তোরা আইডেন্টিকাল টুইন্স না। দু’জনে দু’রকম দেখতে। রিনি ছিল মায়ের মত। তুই বাবার মত।”  

“হ্যাঁ। মায়ের কথা বলো। মা কি আমাদের মতো নাচ শিখত ছোটোবেলা?”

“না, না, নাচ শিখত না। তোদের মা ছিল ডানপিটে মেয়ে। ভালো ক্রিকেট”কেন? কেন খেলা ছেড়ে দিল?”

দীর্ঘশ্বাস ফেলে দিদা বললেন, “কেজানে! বলত ওর নাকি আর খেলতে ভালো লাগে না।”  

হঠাৎ ঝিনির গলায় যেন কান্না ঠেলে ওঠে, সে বলে, “মাকে তো চোখেই দেখলাম মা, রিনিটাও হারিয়ে গেল। সবাই আমাকে ফেলে চলে গেল। কেন দিদান?”

দিদা আস্তে আস্তে ওর কপালে হাত গালে হাত বুলিয়ে বলেন, “অমন বলতে নেই ঝিনি। আমরা তো আছি। মন দিয়ে পড়াশোনা কর, বড়ো হ, তাহলেই দেখবি বিরাট বড়ো দুনিয়াটার দরজা খুলে যাবে তোর কাছে।”  

বিরাট বড়ো দুনিয়াটার দরজা? কেমন সেটা? ঝিনি বালিশে মাথা রেখে চোখ বুজল। ওর মনের চোখে ভেসে উঠল অসংখ্য তারায় ভরা রাতের আকাশ। দাদু ওকে কত নক্ষত্রমন্ডল চিনিয়েছেন, কত তারার নাম শিখিয়েছেন। বলেছেন আমাদের মিল্কি ওয়ে গ্যালাক্সির কথা, শরতের রাতের আকাশে হাল্কা সাদা ওড়নার মতন দেখা যায় যার অংশ। বাংলায় বলে আকাশগঙ্গা। ছায়াপথও বলে। আসলে সে এক বিরাট জগৎ, কয়েক হাজার কোটি নক্ষত্র আর ততোধিক নেবুলা, গ্যাস, ধূলো, আন্তর্ণাক্ষত্রিক নানা বস্তু ইত্যাদি দিয়ে তৈরী। মহাবিশ্বে এমন গ্যালাক্সি প্রচুর, এখনও পর্যন্ত যা জানা তাতে কয়েক হাজার কোটি গ্যালাক্সির হদিশ পাওয়া গিয়েছে।

আর আমাদের সূর্য? সাধারণ একটি মাঝারি আকারের নক্ষত্র, রয়েছে মিল্কি ওয়ে গ্যালাক্সির কেন্দ্র থেকে অনেক দূরে একটি সর্পিল বাহুর মধ্যে। একে ঘিরে যে গ্রহদের সমাবেশ, তার একটি হল আমাদের পৃথিবী, ছোট্টো একটি গ্রহ। সেইখানেই আমাদের ঘর। অন্য বহু নক্ষত্রের চারপাশে নানা ধরনের গ্রহের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে, কিন্তু এখনও পর্যন্ত অন্য কোনো গ্রহে জীবজগৎ আছে কিনা জানা যায়নি।

ঘুমের মধ্যে তলিয়ে যেতে যেতে আশ্চর্য কোমল নীল আলোয় যেন ভেসে যেতে থাকে ঝিনি।

ঝিনি, আমার কথা শুনতে পাচ্ছ?”

কে যেন কথা বলছে, শব্দ নেই কিন্তু ঝিনি বুঝতে পারছে, যেন সরাসরি মন থেকে মনে কথা। সে বলে, হ্যাঁ শুনতে পাচ্ছি। কে তুমি? কোথায় তুমি?”

–আমি কে, আমি কোথা থেকে বলছি সে তো তুমি বুঝবে না। আচ্ছা, বলো তো তুমি কি মাত্রা সম্পর্কে জানো?”

“হুঁ জানি। স্থানের তিনটে মাত্রা। দৈর্ঘ্য, প্রস্থ আর উচ্চতা।”  

“বাহ, তাই তো। আর চতুর্থ মাত্রা হল সময়। তোমাদের জগৎ চতুর্মাত্রিক। আমি কথা বলছি পঞ্চম মাত্রা থেকে, আমাদের জগতে স্থানের রয়েছে চারটে মাত্রা আর সময়ের একটি মাত্রা।

আমাদের জগৎ পঞ্চমাত্রিক।”  

“ওহ, তাই নাকি? কিন্তু তা কেমন করে হয়?”রিনি বলল।

“সেটা তোমাকে তো এখন বোঝানো যাবে না। তুমি যদি আমাদের জগৎ থেকে তোমাদেরটা দেখতে পাও, তাহলে বুঝবে। সে এখন সম্ভব না। তবে একদিন হতেও পারে।”  

“ওহ, তাই? রিনিকে কি তোমরাই নিয়ে গিয়েছ?”

“না, আমরা না। কিন্তু আমাদেরই জগতের কিছু সত্তা ওকে অপহরণ করে তোমাদের সমান্তরাল এক জগতে রেখেছে। তারা চায় না যে তোমরা বেঁচে থাকো। তাই তোমার জ্বর শুরু হয়েছে। সেখানে রিনিও অসুস্থ, তার অসুখ তোমার চেয়ে অনেক বেশি। কিন্তু তোমাদের বাঁচতেই হবে। আমরা ওদের বিরুদ্ধে একজোট হয়ে চেষ্টা করছি তোমাদের রক্ষা করার।”  

ক্লান্ত গলায় ঝিনি বলে, “আমার জ্বর মনে হয় বাড়ছে আবার। কেমন যেন সব ঝিমঝিম করে কাঁপছে। তোমাদের দেশের ওই কারা যেন বললে, তারা আমাদের দুই বোনকে মেরে ফেলতে চায় কেন?”

“তারা চায় না পঞ্চম মাত্রার রহস্য মানুষরা জেনে নেয়। তোমরা দুই যমজ বোন বড়ো হয়ে উচ্চতর গণিত আর পদার্থবিদ্যার সাহায্যে এই রহস্যের জট খুলে ফেলতে পারো, সেই সম্ভাবনা রয়েছে। সেই কারণেই ওরা তোমাদের শেষ করতে চায়। কিন্তু ভয় পেও না, মনে সাহস রাখো। তোমাদের বাঁচতে হবে। আমরা তোমাদের সাহায্য করব। তোমরা ভালো হয়ে উঠবে দু’জনেই। এখন শান্তিতে ঘুমোও। কোনো ভয় নেই। আমি আজ আসি, পরে আবার কথা হবে।”  

ঘুমের মধ্যেই ঝিনি ক্লান্ত গলায় জড়িয়ে জড়িয়ে বলল, “আচ্ছা। ভালো থেকো।”  এই বলে পাশ ফিরল। আর স্বপ্ন নেই, এখন গভীর, নিটোল ঘুম।

দুই

পাঁচমাত্রার জগতের সেই বন্ধুসত্তারা তখন দেখছিলেন দুই সমান্তরাল জগতে ঘুমিয়ে থাকা দুই কিশোরীকে। রিনি আর ঝিনি। রিনিঝিনিরা জানেও না, পরস্পরের এত কাছে ওরা, তবু কত দূরে। জানলে বুঝি ওরা আকুল হয়ে উঠে হাত বাড়াত পরস্পরকে স্পর্শ করার জন্য। কিন্তু সমান্তরালের জগৎ কিছুতেই অনুভবের সীমায় আসা সম্ভব না আমাদের চতুর্মাত্রিক সীমাবদ্ধতা থেকে।

পঞ্চমাত্রার সেই অকল্পনীয় গহীন আলোর জগতের সত্তারা অনায়াসে রিনি আর ঝিনির দেহের ভিতর ও বাহির দুইই পর্যবেক্ষণ করছিলেন, সারিয়ে দিচ্ছিলেন অসুখে ক্ষয় হয়ে যাওয়া কোষগুলিকে। স্নায়ুকোষের মধ্যে যে ধীর অথচ অমোঘ ক্ষয় শুরু হয়েছিল, সেই প্রক্রিয়াকে থামিয়ে দিয়ে আস্তে আস্তে সজীব ও সতেজ করে তুলছিলেন সেগুলোকে। যে নিউরাল কানেকশনগুলো বন্ধ হয়ে আসছিল, সেগুলোকে নতুন করে সঞ্জীবিত করছিলেন।

অসুখে দুর্বল আর শীর্ণ হয়ে আসা রিনি আস্তে আস্তে পাশ ফিরল তার বিছানায়, বিছানার পাশেই জেগে বসে আছেন একজন নার্স। তিনি উঠে রিনির জ্বর মাপলেন।

এখানে ঝিনির পাশে এসে তার দিদা তার কপালে হাতে দিয়ে তাপ পরীক্ষা করলেন। জ্বর নেই এখন। সস্নেহ মৃদুস্বরে তিনি বললেন, “ভালো হয়ে ওঠ দিদিভাই। শিগগির ভালো হয়ে ওঠ। তুই ভালো হয়ে উঠলেই আমরা সবাই মিলে একদিন বেড়াতে যাবো সমুদ্রের তীরে। ঠিক তুই যেমন চাইছিলি।”  

পরদিন খুব ভোরে ঘুম ভাঙল ঝিনির। শরীর ঝরঝরে। বিছানায় উঠে বসে সে আড়মোড়া ভাঙল।তারপর বাগানের দিকের জানালাটা হাট করে খুলে পর্দা সরিয়ে দাঁড়াল। ভোরের কোমল আলোয় ধুয়ে যাচ্ছে বাগান। কানে আসছে পাখিদের গান।

জ্বর সেরে যাওয়া ভোরে আলোর আশীর্বাদ দু’চোখ ভরে নিতে নিতে গত রাত্রের আশ্চর্য স্বপ্নটা খুব আবছা মনে পড়ে ঝিনির। স্বপ্ন হলেও যেন স্বপ্ন নয়। আরও বেশি কিছু। কে যেন বলছিল ভয় পেও না, ভয় পেও না।

নাহ, ঝিনি আর ভয় পাবে না। সে জানে, একদিন রিনির সঙ্গে তার দেখা হবে। এক অপূর্ব সমুদ্রবেলায়।

সে মনের চোখে দেখছিল, রিনিও তারই মতন খোলা জানালায় দাঁড়িয়ে ভোর দেখছে কোথাও। তার রোগশীর্ণ মুখে আশ্চর্য আলো। সে সেরে উঠছে আসতে আস্তে। কোথায় সে? অনেক দূরে নাকি কাছেই?

ভোরের আলোর দিকে চেয়ে ফিসফিস করে ঝিনি বলে, সুপ্রভাত রিনি, সুপ্রভাত। তুই তাড়াতাড়ি সেরে ওঠ। আমাদের আবার দেখা হবে। সেই না শেষ হওয়া খেলাটা আবার খেলব আমরা।’

জয়ঢাকের সমস্ত গল্প ও উপন্যাস

Leave a Reply