এই কবির আগের ছড়া- অর্ধেক ভূত, আরে, ভূতের ইচ্ছে, লেজ হয়েছে মোটা, খাদ্য, নয় কেউ দূরে

এই তো সেদিন জন্মেছিলুম পনেরই ভাদ্দোরে,
কেউ তো মনে রাখেনি, হায় বলব কী আর তোরে?
ভেবেছিলেম ‘ফেমাস’ হব, তোরেই শেষে কই,
হুড়োহুড়ি যাবেই পড়ে নিতে আমার সই।
হব আমি বিখ্যাত লোক, হব স্বনামধন্য,
কপালের ফের! এখন দেখছি কেউ করে না গণ্য।
এত করে লোক জানিয়ে পেটাই নিজের ঢাক,
সবাই বলে মুখ বেঁকিয়ে, “খুব হয়েছে, থাক।”
রাস্তা দিয়ে চলার সময় এদিক ওদিক দেখি,
ঘাপটি মেরে শুনি—লোকে বলছে আমায় কে কী।
সবাই কিন্তু অবাক! ভাবটা—এ কোত্থেকে এল?
পাগলা গারদ? কয়েদখানা? এই করেছে কেলো!
আমায় দেখে যে যার মতো কাটিয়ে যায় পাশ,
চোখ পাকিয়ে বলে, “আরে! এ কোন হরিদাস?”
কী ঝামেলা! আমায় কেন সব্বাই দেয় হ্যাঁটা?
যেদিন হব সেলিব্রিটি সেদিন বুঝবি ব্যাটা।
একটু দেখার জন্য এসে কচলাবি হাত যখন,
নাক উঁচিয়ে মুখ ঘোরাব, চিনবই না তখন।
ভাবছি, এখন জন্মদিনে করব আমি কী কী।
কী আর করি, একটু না হয় ছড়া-টড়াই লিখি।