এই কবির আগের ছড়া- অর্ধেক ভূত, আরে, ভূতের ইচ্ছে, লেজ হয়েছে মোটা

কেউ বা বলেন ফুচকা আবার কেউ বা পানিপুরি,
“আজকে খাবই।” রাজামশাই বলেন মেরে তুড়ি।
শুনেই রানি লাফিয়ে ওঠেন— “বেশ বলেছ, লাভলি,
আমার কিন্তু এক্ষুনি চাই নোনতা আলুকাবলি।”
“চুড়মুড় তো চাখব আমি,” বললেন রাজকন্যা,
“নইলে কিন্তু বইবে জেনো চোখের জলের বন্যা।”
এবার এলেন রাজপুত্তর নাচিয়ে নধর ভুঁড়ি,
চেঁচিয়ে ওঠেন, “আমারও চাই একবাটি ঝালমুড়ি।”
রাজার শালা সূর্যকান্ত, সেই-বা কীসে কম?
জানিয়ে দিলেন, তিনিও খাবেন শুকনো আলুর দম।
চন্দ্র, রাজার পিসতুতো ভাই, কচুরিই তাঁর প্রিয়,
নেচে বললেন, “আমার জন্য ডজন খানেক নিও।”
রাজার জামাই, পছন্দ তাঁর মিষ্টি দানাদার,
“নিদেনপক্ষে কুড়িটা চাই।” এই তাঁর আবদার।
আর যতসব পাত্রমিত্র কোটাল উজির নাজির,
চপ-কাটলেট খাওয়ার জন্য দরবারেতে হাজির।
প্রজার তরে কী ব্যবস্থা? কেমন তাদের খাওয়া?
জানা কথাই, তাদের জন্য ধার্য শুধু হাওয়া।
জয়ঢাকের ছড়া লাইব্রেরি