ধাঁধা মজা রহস্য- ধাঁধা ইন্দ্রশেখর শীত ২০১৮

প্রথম ধাঁধা

খুব ছোটোবেলায় এক পয়সা , দু পয়সা, পাঁচ পয়সা , দশ পয়সা, কুড়ি পয়সা, পঁচিশ পয়সা আর পঞ্চাশ পয়সার কয়েন পাওয়া যেত। তা একবার কাকামণি বাজার থেকে ফিরে একটা থলেতে এই সব টাইপের কয়েন একটা করে একসঙ্গে রেখে বলল, একটা প্রশ্নের জবাব দিলেই এই থলেটা তোর। এক টাকা তেরো পয়সা সে-বাজারে কম সম্পত্তি নয়। কাজেই আমিও শুনেই এক পায়ে খাড়া।
কাকামণি তখন বলল, বিরাজের থেকে এক পোয়া চারাপোনা কিনেছি আজ। দাম নিল দশ টাকা সাতাশি পয়সা । (হেসো না। আগেকার দিনে ঐরকম সব দামেই চারাপোনা পাওয়া যেত।) আমি তাকে একশো টাকার নোট দিলাম একটা। যা ফিরেছে তার থেকে টাকার নোটগুলো বাদে বাকিতা এই থলেতে রেখেছি।”
আমি মাথা নেড়ে বললাম, “কিন্তু প্রশ্নটা কী?”
“সিম্পল। এই গোটা লেনদেনটার একটা দুর্দান্ত, ইউনিক বৈশিষ্ট্য আছে। সেটা কী তাই বলতে হবে তোকে।
তা এটাই এবারের প্রথম ধাঁধাঁ।

দ্বিতীয় ধাঁধা


সঙ্গের দুর্গাঠাকুরের ছবিতে মোট কটা হাত থাকবার কথা? মোট কটা পা থাকবার কথা?

তৃতীয় ধাঁধাঃ
জিজ্ঞাসাচিহ্নের জায়গায় কোন সংখ্যা বসবে?

চতুর্থ ধাঁধাঃ
হাতে আছে বারোটা দেশলাই কাঠি। তাই দিয়ে তুমি একটা দেশলাই কাঠির দৈর্ঘ্যের নটা বর্গক্ষেত্রের সমান এলাকা গড়তে পারো, আবার একটা দেশলাই কাঠির দৈর্ঘ্যের পাঁচটা বর্গক্ষেত্রের সমান এলাকাও গড়তে পারো। সঙ্গে তাদের ছবি রইল।
প্রশ্ন হল, বারোটা কাঠি দিয়ে এক কাঠি দৈর্ঘ্যের চারটে বর্গক্ষেত্রের সমান এলাকা গড়তে পারবে?

পঞ্চম ধাঁধাঁ
গোটা ছবিটাকে হুবহু একই চেহারার চারটে টুকরোয় ভাঙতে হবে যাতে প্রত্যক টুকরোয় একটা করে সিংহ আর রাজমুকুট থাকে।

ষষ্ঠ ধাঁধাঁ
গাড়িটার দরজা লক করা। জানালার কাচ তোলা। গাড়ির ভেতরে ড্রাইভারের মৃতদেহ। চাবি ইঞ্জিনে ঝুলছে। ড্রাইভারের মাথার পেছনে বুলেটের একটা ক্ষত। কাচ দরজা জানালা অক্ষত। গাড়ির ভেতরে বন্দুকের কোনো চিহ্ন নেই। অথচ গুলিটা কী করে ড্রাইভারের গায়ে এসে লাগল সে নিয়ে গোয়েন্দার কোনো সন্দেহই নেই । কেন?

সপ্তম ধাঁধাঃ
রাম শ্যাম দুই ভাই একসঙ্গে থাকে। রাম খানিক বেঁটে আর হাল্কা মানুষ। শ্যাম বেজায় লম্বা আর মোটা।
কাজে বেরোবার সময় তারা চাবিটা রেখে যেত উঁচু দরজার মাথায়। সন্ধেবেলা একসংগে ফিরে
আসবার পর শ্যাম চড়ত রামের কাঁধে, তারপর হাত বাড়িয়ে চাবি পেড়ে দরজা খুলত। ওইটুকু বেঁটেখাটো রামকে কাঁধে না চাপিয়ে ঐরকম মুশকো শ্যাম তার কাঁধে চাপত কেন? তারা তো লোক ভালোই ছিল!

অষ্টম ধাঁধা
এই ছবিতে মোট কটা বাঁশি লুকিয়ে আছে?

নবম ধাঁধা
এইটা কীসের ছবি

দশম ধাঁধা
ঘটনাটা ঘটেছে আমাদের পাড়ার রেস্তোরাঁয়। প্রায়ই যাই। অর্ডার নিতে আসা ফ্লোর অ্যাসিস্ট্যান্ট সুষেণ তামাং-এর সঙ্গে ভালো আলাপ। সে বেজায় ভালো লোক।
তা সেদিন রেস্তোরাঁয় গিয়ে কালামারি পিৎজার অর্ডার দিয়ে বসে আছি এমন সময় দেখি একটা মাঝবয়েসি লোক এসে একটা টেবিলে বসল। সুষেণ তার দিকে যেতে বলে, “এ-এক গেলাস জল দিন প্লিজ।”
শুনে সুষেণ একটা আশ্চর্য কাজ করে বসল হঠাৎ। ছুটে গিয়ে একটা ডাণ্ডা এনে লোকটার মাথার দিকে তাক করে চালিয়ে দিল সেটা। ভাগ্য ভালো ডাণ্ডাটা লোকটার মাথায় লাগেনি। খানিক দূর দিয়ে হাওয়া কেটে বেরিয়ে গেল। রেস্তোরাঁশুদ্ধু লোক তো হতভম্ব। ইতিমধ্যে মাঝবয়েসি বুড়ো দেখি উঠে দাঁড়িয়ে সুষেণকে বলছে, “থ্যাংক ইউ ডিয়ার। এইবারে ঠিক হয়ে গেছে।”
আমি উঠে গিয়েছিলাম সে-টেবিলের পাশে। সুষেণকে জিজ্ঞেস করলাম, “কেসটা কী হে?”
তাতে সুষেণ হেসে বলল…

সুষেণ কী বলল?

গত সংখ্যার উত্তর

প্রথম ধাঁধাঃ খুনী ৩ নম্বর (লেডিজ টয়লেটে খুন হয়েছে। ইনি একমাত্র মহিলা
দ্বিতীয় ধাঁধাঃ ৩ নম্বর গ্লাস। সাত নম্বর নয়। সাত নম্বরে যে নল আসছে সেটা বন্ধ। ওতে এক ফফোঁটাও জল ঢুকবে না।
তৃতীয় ধাঁধাঃ HIDDEN TIGER কথাটা বাঘের গায়ে লেখা রয়েছে খেয়াল করে দেখো।
চতুর্থ ধাঁধাঃছবিটার সামনে মাথা ওপরনীচে তাড়াতাড়ি ওঠানামা করিয়ে দেখলে 17 নম্বরটা দেখতে পাবে।
ধাঁধাচিত্রঃ ড্রুডলঃ খরগোশ বই পড়ছে।
ধাঁধাচিত্র ২

সুদোকুঃ

 

ধাঁধা মজা রহস্য   সব লেখা একত্রে

Leave a Reply