আগের লেখা- পাখির মধুর ডাকে ভরে যায় মন

মানুষ-সহ পাখি এবং পৃথিবীর সমস্ত প্রাণী একটি জটিল পরিবেশে বাস করে। প্রাণীদের পরিবেশ জগতের বৈশিষ্ট্যগুলি উপলব্ধি করতে হয়। প্রাকৃতিক নির্বাচনের মাধ্যমে বিবর্তনের বহু পথ ধরে আজও প্রাণীদের এমন ইন্দ্রিয় রয়েছে যা বেঁচে থাকার জন্য অপরিহার্য হাতিয়ার হিসেবে বিভিন্নভাবে কাজ করে চলেছে।
সমস্ত প্রাণীর মধ্যে পাখিদের দৃষ্টিশক্তি সবচেয়ে ভালো। বেশিরভাগ প্রজাতির জন্য দৃষ্টিশক্তি হল প্রাথমিক ইন্দ্রিয় যা তাদের সবসময় কাজে লাগে। আমরা যতদূর জানি, পাখিদের কাছে বিবর্তনীয়ভাবে দৃষ্টিশক্তি গুরুত্বপূর্ণ ছিল। স্তন্যপায়ী প্রাণীরা অনেক সময় ধরে নিশাচর জীবনযাপন করেছে। ডাইনোসরদের সময় স্তন্যপায়ী প্রাণীরা তুলনামূলকভাবে ছিল ছোটো। তাই দৃষ্টিশক্তি ছিল দুর্বল, কিন্তু গন্ধের অনুভূতি ছিল খুব ভালো। আবার যখন কিছু আদিম স্তন্যপায়ী প্রাণী দিনের বেলায় ফিরে আসে, তখন তারা রঙিন দৃষ্টিশক্তি ফিরে পায়। এদিকে পাখিরা কেবল ঘুরে বেড়াচ্ছে, পুরো সময় ধরে তাদের দৃষ্টিশক্তি নিখুঁত রাখা খুব দরকার।
পাখির চোখের গঠন
এখন পাখির চোখের গঠন সম্পর্কে একটু আলোচনা করা যাক। মানুষের চোখের শারীরস্থান সম্পর্কে যদি আপনি পরিচিত হন, তাহলে আপনি পাখির চোখের ছবিটি বেশ ভালোভাবে কল্পনা করতে পারবেন। পাখির সঙ্গে আমাদের পূর্বপুরুষের অনেক মিল রয়েছে। প্রায় ৩০ কোটি বছর আগে কোনও এক পূর্বপুরুষ থেকে পাখি এবং স্তন্যপায়ী প্রাণীর বংশধারা আলাদা হয়ে যায়।
সমস্ত প্রাণীর মধ্যে পাখির চোখ তার মাথার অনেকটা জায়গা জুড়ে থাকে, তাই তাদের দেহের আকারের তুলনায় সবচেয়ে বড়ো। একটি উটপাখির চোখ মানুষের চোখের চাইতে ৫ গুণ বড়ো, এমনকি একটি হাতির চোখের চেয়েও বড়ো।
স্বচ্ছ কর্নিয়ার মধ্য দিয়ে আলো পাখির চোখে প্রবেশ করে এবং তারপর লেন্সের মধ্য দিয়ে যায়। এই উভয় কাঠামোরই একটি বাঁকা, উত্তল আকৃতি রয়েছে যা আলোক তরঙ্গকে কেন্দ্রীভূত করে। পাখিদের কর্নিয়াকে ঘিরে একটি ছোটো পেশি থাকে এবং লেন্সের চারপাশে আর একটি গ্রুপ থাকে। সংকোচন বা প্রসারণের মাধ্যমে এই ক্ষুদ্র পেশিগুলি স্বাধীনভাবে ফোকাসের জন্য কর্নিয়া অথবা লেন্সের আকৃতি পরিবর্তন করে। মানুষ তাদের কর্নিয়ার আকৃতি পরিবর্তন করতে পারে না। আমরা কেবল লেন্স ব্যবহার করে আমাদের ফোকাস সামঞ্জস্য করি।
উটপাখির চোখ

মানুষের তুলনায় কিছু জলের ডাইভিং পাখি যেমন হাঁস এবং পানকৌড়ির লেন্সের চারপাশে শক্তিশালী পেশি থাকে এবং লেন্স নিজেই তুলনামূলকভাবে নমনীয়। এই পাখিদের ফোকাস করার ক্ষমতা মানুষের চাইতে ১০ গুণ বেশি।
ডাইভিং পাখিদের বাতাসে ফোকাস করা থেকে জলে দেখার জন্য তাৎক্ষণিক সমন্বয় করতে হয়। জলের নীচে কর্নিয়ার ফোকাসিং ক্ষমতা থাকে না, তাই লেন্সকে তার জায়গা দখল করতে হয়। পানকৌড়ি এবং সম্ভবত বুবি, তাদের লেন্সের আকৃতি পরিবর্তন করে জলের নীচে প্রায় গোলাকার করে নেয়। তাদের আইরিসগুলি জলের নীচে খোলা থাকায় আরও আলো প্রবেশ করতে দেয়। এই সমন্বয়গুলি ঢেউয়ের নীচে মাছের পিছনে তাড়া করার সময় ভালো ফোকাস তৈরি করে।
পাখির চোখে আর একটি জিনিস যা মানুষের চোখে থাকে না তা হল একটি চোখের তৃতীয় পাতা যা অনুভূমিক দিকে চোখের দৃষ্টিকে নিয়ে যায়। এটিকে নিক্টিটেটিং মেমব্রেন বলা হয় যা চোখকে আঘাত থেকে রক্ষা করে এবং আর্দ্র রাখে। অনেক ডাইভিং পাখির স্বচ্ছ নিক্টিটেটিং মেমব্রেন থাকে, যা সাঁতারের চশমার মতো কাজ করে। এই ঝিল্লিগুলি দ্রুত গতিতে ডাইভিংয়ের সময় পাখির চোখকে ক্ষতি থেকেও রক্ষা করে।

আলোর তরঙ্গ চোখে প্রবেশ করে এবং লেন্স দ্বারা কেন্দ্রীভূত হওয়ার পর তারা রেটিনার ওপর পড়ে। রেটিনা হল চোখের ভিতরের দেয়ালের পিছনের দিকে অবস্থিত ফটোরিসেপ্টর কোশের একটি পাতলা স্তর। আলো চোখে প্রবেশ করলে সেই কোশগুলি উদ্দীপ্ত হয়ে এক সংকেত তৈরি করে যা অপটিক স্নায়ুর মাধ্যমে মস্তিষ্কে পৌঁছায়। পাখির ফটোরিসেপ্টর কোশগুলিকে রড এবং কোন বা শঙ্কু বলা হয়। মানুষেরও এগুলি থাকে। রডগুলি সাদা-কালো দৃষ্টি ও শঙ্কুগুলি রঙিন দৃষ্টি দেয়। রেটিনার কেন্দ্রে এমন একটি অঞ্চল রয়েছে যেখানে ফটোরিসেপ্টর কোশগুলি ঘনভাবে থাকে, যাকে বলা হয় ফোভিয়া। এটি বেশি রেজোলিউশনের ছবি পাঠায়। র্যাপটর, মাছরাঙা এবং হামিংবার্ডের মতো কিছু পাখির দুটি ফোভিয়া থাকে। একটি ফোভিয়া সামনের দিকে দেখতে পায়, অন্যটি পাখির মাথার পাশে ছবি তুলতে পায়।
পাখিদের রঙিন দৃষ্টি
পাখির রেটিনার সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক হল, মানুষের মতো মাত্র তিনটির পরিবর্তে তাদের চারটি ভিন্ন ধরনের শঙ্কু কোশ থাকে। চতুর্থ শঙ্কুটি অতিবেগুনি তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলোর প্রতি সংবেদনশীল।
পাখিদের দেখার তথাকথিত টেট্রাক্রোমেটিক রঙের জায়গাটি মানুষের দেখা প্রায় দশ লক্ষ রঙের পরিসরের চেয়ে অনেক বেশি। চার ধরনের শঙ্কু থাকা আসলে একটি আদিম বৈশিষ্ট্য, যা উভচর প্রাণীদের পাশাপাশি পাখি এবং অন্যান্য সরীসৃপদের মধ্যেও রয়েছে। তাই পাখিরা এমন রঙ দেখতে পারে যা মানুষ দেখতে পায় না।
তাহলে এই বাড়তি রঙের দেখতে পাওয়ার ফলে পাখিদের কী কী সুবিধা হয়?
অতিবেগুনি পরিসরের রঙগুলি অনেক ফুল, ফল এবং বেরি দ্বারা প্রতিফলিত হয়। তাই যেসব পাখি খাবারের জন্য এইসব গাছের ওপর নির্ভর করে, তারা তাদের খাবার সংগ্রহে আরও বাড়তি সুবিধা পায়।
অনেক পাখির পালকে এমন প্যাচ থাকে যা অতিবেগুনি রশ্মিকে (UV) প্রতিফলিত করে। এটি প্রমাণিত হয়েছে এই পালকের রঙ সম্ভাব্য সঙ্গীদের কাছে আকর্ষণীয় হতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে যে, অন্তত কিছু প্রজাতির বেলায় স্ত্রী পাখিরা পুরুষ পাখিদের পছন্দ করতে পারে যাদের পালক বর্ণালির UV অংশে উজ্জ্বলভাবে জ্বলজ্বল করে। UV রশ্মিতে পুরুষ পাখির পালক তার সামগ্রিক সুস্থতার সংকেত হতে পারে। সঙ্গী খুঁজছে এমন স্ত্রী পাখির জন্য দরকারি। ব্লু টিটস, পাইড ফ্লাইক্যাচারস, বুজেরিগার এবং ব্লু-থ্রোটসে এই ঘটনার কিছু প্রমাণ রয়েছে।

তাই আমাদের কাছে যতই রঙিন পাখি মনে হোক না কেন, তারা একে অপরের কাছে আরও বেশি আকর্ষণীয়। মজার বিষয় হল, কিছু প্রজাiতির পুরুষ এবং স্ত্রী পাখির মধ্যে এমন পার্থক্য রয়েছে যা আমরা দেখতে পাই না।
আমাজন অববাহিকায় Black-spotted bare-eye নামে একটি পাখির প্রজাতি বাস করে। আমাদের কাছে এই প্রজাতির পুরুষ এবং স্ত্রী পাখির মধ্যে পার্থক্য প্রায় অস্পষ্ট। কিন্তু দেখা যাচ্ছে যে পুরুষ পাখির মুকুটের পালকগুলি UV রশ্মির আলোতে উজ্জ্বলভাবে প্রতিপ্রভ হয়।
২০০৫ সালে ১৩৯টি একরঙা পাখির প্রজাতির ওপর একটি গবেষণার সমীক্ষা থেকে জানা গেছে যেখানে লিঙ্গের মধ্যে আপাত রঙের স্পষ্ট পার্থক্য নেই। গবেষকরা দেখতে পেলেন যে এই ১৩৯টি পাখির প্রজাতির ৯০%-এরও বেশি আসলে দুই রঙের ছিল।
কিছু পাখির চোখের যেমন টার্ন, গুল এবং অ্যালবাট্রসের মতো অনেক সামুদ্রিক পাখির আর একটি বৈশিষ্ট্য, যা রঙিন দৃষ্টির সঙ্গে সম্পর্কিত, তা হল রেটিনার কোন কোষে অতি ক্ষুদ্র তেলের মতো ফোঁটা। এই ফোঁটা আলোর নির্দিষ্ট তরঙ্গদৈর্ঘ্য শোষণ করে এবং চার ধরনের কোনের প্রতিটির প্রতিক্রিয়া জানাতে পারে এমন তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ব্যান্ডকে সংকুচিত করে। এটি তাদের আরও সঠিকভাবে রঙ দেখার ক্ষমতা দেয় এবং কুয়াশাচ্ছন্ন পরিস্থিতিতে তারা আরও ভালোভাবে দেখতে পায়।
পাখির চোখের দেখার তীক্ষ্ণতা
পাখির দেখার তীক্ষ্ণতা আমাদের চাইতে অনেক বেশি। পাখিরা প্রায়শই বেশি দূরত্বে আমাদের চাইতে সূক্ষ্ম জিনিস দেখতে পায়। আমরা যখন চোখের দৃষ্টি পরীক্ষা করতে ডাক্তারের কাছে যাই, তখন চোখের চার্টটি সম্পর্কে চিন্তা করুন। সেখানে ওপরে একটি বড়ো ‘E’ এবং নীচে ক্রমশ ছোটো অক্ষরযুক্ত চার্ট থাকে। এটি দৃষ্টিশক্তি পরিমাপ করে। একজন মানুষ যদি চার্ট থেকে ২০ ফুট দূরে দাঁড়িয়ে ৮ম লাইনের অক্ষরগুলি পড়তে পারে, তবে তার দৃষ্টিশক্তি ২০/২০।
ঈগলের মতো কিছু পাখির দৃষ্টিশক্তি ২০/৫। এর অর্থ হল, একটি ঈগল ২০ ফুট দূরে এমন কোনও জিনিস দেখতে পারে যা একজন সাধারণ মানুষ মাত্র ৫ ফুট দূরে দেখতে পারে। সুতরাং, এই ধরনের ঈগলের দৃষ্টিশক্তি একজন সাধারণ মানুষের চেয়ে চারগুণ বেশি। তারা উড়ে যাওয়ার সময় বা গাছের ওপরে বসে থাকা অবস্থায় তাদের অনেক নীচে ছোটো শিকার দেখতে পায়। আপনি ভাবতে পারেন, পাখিদের দৃষ্টিশক্তি মানুষের চেয়ে ২ থেকে ৮ গুণ বেশি। এটা নির্ভর করে পাখির প্রজাতির ওপর।
পাখিরা দ্রুত গতিবিধি বুঝতে পারে যা আমাদের কাছে কেবল ঝাপসা মনে হবে। মানুষ প্রতি সেকেন্ডে ৫০ বারের বেশি দ্রুত গতিতে ঘটে এমন গতিবিধি শনাক্ত করতে পারে না। কিন্তু অন্তত কিছু পাখি প্রতি সেকেন্ডে ১০০ বারেরও বেশি গতিবিধি শনাক্ত করতে পারে। উড়ন্ত পাখিদের বেশি গতিতে চলাচল করতে হয় যা গাছের ডালের মতো বাধাও থাকতে পারে। অনেক পাখি ছোটো, দ্রুত উড়ন্ত পোকামাকড় বা অন্যান্য উড়ন্ত শিকার ধরতে পারে।
কিন্তু তারা কীভাবে এটি করে? সম্ভবত পাখিদের অবিশ্বাস্য দৃষ্টিশক্তির জন্য দায়ী তাদের রেটিনায় ফটোরিসেপ্টর কোষের ঘনত্ব। কিছু র্যাপ্টারের প্রতি বর্গ মিলিমিটারে শঙ্কু কোষের সংখ্যা ১০ লক্ষ ও চড়াই পাখির ৪ লক্ষ শঙ্কু কোষ থাকে।
মানুষের বেলায় তা কত? দেখা গেছে, প্রতি বর্গ মিলিমিটারে সবচেয়ে বেশি প্রায় ২ লক্ষ শঙ্কু কোষ।
পাখির বড়ো চোখ থাকাও একটা বড়ো সুবিধা। বাজপাখি এবং ঈগলের মতো শিকারি পাখিদের বড়ো চোখ থাকে। অস্ট্রেলিয়ার ওয়েজ-টেইলড ঈগলকে যে-কোনো স্থলজ প্রাণীর মধ্যে সবচেয়ে বেশি দৃষ্টিশক্তিসম্পন্ন বলে মনে করা হয়। কারণ, এর বড়ো চোখ এবং কোন কোষের সংখ্যাও বেশি।
এবার, পেঁচা এবং অন্যান্য রাতের পাখিদের কথা ভুলে গেলে চলবে না। পেঁচা ছাড়াও নিশাচর পাখিদের মধ্যে রয়েছে নাইটজার, পোটু, নাইট হেরন, অয়েল বার্ড এবং আরও কিছু। অন্যান্য বেশিরভাগ নিশাচর পাখির চোখ বড়ো এবং তারা রাতে দেখতে পায়।
পেঁচা হল সবচেয়ে পরিচিত উদাহরণ। তাদের তুলনামূলকভাবে বড়ো চোখ থাকে; তাদের চোখের সকেটে, তাদের খুলিতে একটি স্থির অবস্থানে আটকে থাকে। চারপাশে তাকানোর জন্য তাদের চোখের পরিবর্তে তারা ৩৬০ ডিগ্রি ঘোরাতে পারে। পেঁচার রেটিনা রড কোষ দ্বারা পরিপূর্ণ। রড কোষগুলি কালো-সাদা দৃষ্টির জন্য সবচেয়ে ভালো। তাই তারা রাতে ভালো দেখতে পায়। পেঁচা এবং অন্যান্য নিশাচর পাখির রেটিনার পিছনে ট্যাপেটাম লুসিডাম নামে চকচকে টিস্যুর একটি স্তর থাকে। এই স্তরটি ফটোরিসেপ্টর কোষগুলিতে আরও আলো প্রতিফলিত করে এবং রাতের দৃষ্টি উন্নত করে। তাই গাড়ির হেডলাইটের আলোয় আলোকিত হলে এদের চোখ জ্বলে ওঠে।

আরও একটি বিষয় নিয়ে কথা বলা উচিত, পাখিদের মধ্যে বাইনোকুলার বনাম মনোকুলার দৃষ্টি।
মুরগি বা পায়রার কথাই ধরা যাক। এদের চোখ মাথার পাশে থাকে। প্রতিটি চোখ ভিন্ন ছবি দেখে।
মানুষের সঙ্গে তুলনা করুন। আমাদের চোখ উভয়ই সামনের দিকে থাকে। মানুষের চমৎকার বাইনোকুলার দৃষ্টি আছে। আমরা উভয় চোখ দিয়ে একই ছবি দেখতে পাই। এই কারণেই বাইনোকুলার দৃষ্টিসম্পন্ন শিকারি পাখি যেমন বাজপাখি, ঈগল এবং পেঁচা এত গভীরভাবে উপলব্ধি করে। আট প্রজাতির উডকক সমন্বয়ে গঠিত স্কোলোপ্যাক্স গণের পাখিদের মধ্যে বাইনোকুলার এবং মনোকুলার দৃষ্টি দেখা যায়। উডককের চোখ পাখির মাথার ওপর অনেক পিছনে স্থির থাকে। কিন্তু এই পাখিদের একটি আশ্চর্যজনক ক্ষমতা রয়েছে; তারা একসঙ্গে সবদিকেই দেখতে পারে।

উডককের চোখ দিয়ে পৃথিবী দেখতে কেমন হবে তা কল্পনা করা কঠিন। যদি আমরা পারতাম, তাহলে হয়তো আমরা অবশেষে শান্তিতে বসবাসের জন্য আমাদের পার্থক্যগুলিকে দূরে সরিয়ে রাখতে শিখতাম।
তথ্য সূত্র-
- The Science of Birds (https//www.scienceofbirds.com)
- Science Direct.com (https//www.sciencedirect.com)
- Bird Fact (https//www.birdfact.com)
- Research Gate (https//www.researchgate.net)
লেখক জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ একাডেমি, কলকাতা-র সদস্য
বনের ডায়েরি সব লেখা একত্রে