
প্রথম ধাঁধা
রাম, শ্যাম যদু তিন ভাই। তাদের মধ্যে দুই ভাই বক্সিং চ্যাম্পিয়ন। রাম আর শ্যামের মধ্যে যে বেঁটে সে হল দাদা বক্সার। শ্যাম আর যদুর মধ্যে যে বয়েসে ছোটো সে হল বেঁটে বক্সার। রাম আর যদুর মধ্যে লম্বুটা হল ভাই বক্সার। কোন ভাই বক্সিং জানে না?
দ্বিতীয় ধাঁধা
২০০জন যুক্তিবাদি একসঙ্গে একটা দ্বীপে আটক হয়েছে। তারা ফলাফল সম্পর্কে একেবারে নিশ্চিত না হয়ে কোন কাজ করে না, আর সমস্ত সিদ্ধান্তই নেয় একেবারে যুক্তি মেনে। তাদের ওপর অভিশাপ আছে, একে অন্যের সঙ্গে মুখে বা ইঙ্গিতে কথা বললে, কোথাও কিছু লিখলে বাজ পড়ে মারা যাবে।
দ্বীপের অর্ধেকের চোখ নীল, বাকিদের কালো, তবে কেউ নিজের চোখের রঙ জানে না। প্রত্যেক নীলচোখো জানে দ্বীপে একশো বাদামি চোখো ৯৯ নীলচোখো। প্রত্যেক বাদামি চোখো জানে দ্বীপে একশো নীলচোখো ৯৯ বাদামি চোখো।নিজের চোখের রঙ তার নীল না বাদামী না কালো না সবুজ তা সে জানে না। দ্বীপে কোনো আয়নাও নেই। একে অন্যকে কেউ তা কোনোভাবেই জানাতেও পারবে না অভিশাপের ভয়ে। প্রতি রাতে দ্বীপে একটা জাহাজ আসে। তার ক্যাপ্টেনকে যদি দ্বীপের কেউ নিজের চোখের রঙ বলতে পারে তাহলে সে জাহাজে উঠে দ্বীপ ছেড়ে যেতে পারবে। আর ভুল রঙ বললে তাকে ক্যাপ্টেন গুলি করে মারবে। দ্বীপের এক গুহায় আরেকজন লোক থাকে। সে এক সাধু। লোকে তাকে গুরু ডাকে। গুরু একশো বছরে একবার কথা বলে। এবং তখন সে সত্যকথা বলে। একদিন সে ২০০ দ্বীপবাসীর সামনে দাঁড়িয়ে বলল, আমি তোদের একজনের চোখের দিকে তাকিয়ে দেখলাম সে চোখের রঙ নীল। দ্বীপের কোন লোকজন উধার পাবে ও কবে পাবে?
তৃতীয় ধাঁধাঃ
সূর্যঘড়ি হল একমাত্র ঘড়ি যাতে কোনো অংশই নড়ে না। সবচেয়ে বেশি সংখ্যক নড়াচড়া করা পার্টস কোন ঘড়িতে হয়?
চতুর্থ ধাঁধাঃ
বন্ধু গণিতজ্ঞ হেরম্ব দাশ আত্মহত্যা করেছেন। বিশ্বস্ত চাকর ফকির কেঁদে কেঁদে হয়রান।ওর ভাই হারিতেরও ঘন ঘন ফিট হচ্ছে। মাথায় হাত দিয়ে বসে আছেন পাশের বাড়ির সমীরবাবু। বন্দুকটা হেরম্বর হাতে ধরা। নল কপালের ধারে ঠেকানো। রক্তে ভেসে যাচ্ছে চারদিক।
খানিক বাদে পুলিশ তল্লাশি সেরে লাশ মর্গে পাঠাল। আমার ঠিক বিশ্বাস হচ্ছিল না। টেবিলের ওপরে হেরম্বর অঙ্কের খাতা। তাতে এদিকের পাতায় নানান ইকোয়েশন লেখা। নানান অঙ্কের সিম্বল সঙ্গীন উঁচিয়ে রয়েছে যেন। একটা পাতা শেষ করে পাশের পাতায় সবে নতুন কয়েকটা লাইন লিখেছিল হেরম্ব। জটিল কিছু সমীকরণঃ
(6193))(6182733132733273) =(33)a(52)i(radius) ( small and big)
অঙ্কটা না কষেই চলে গেল? এভাবে পালানো তো ওর স্বভাব নয়? লাইনটার দিকে তাকিয়ে চোখ ঝাপসা হয়ে আসছিল আমার। নতুন এই ইকোয়েশনটার খবর ওর বন্ধু দিকপাল গণিতজ্ঞ সুস্মিতকে দেয়া দরকার। ফোন নম্বরটা হেরম্বর ফোনে পাওয়া যাবে নিশ্চয়। ওর মাইক্রোম্যাক্সের ছোটো ফিচারফোনটা পড়েছিল টেবিলে। সেটা হাতে নিয়ে আনলক করতে গিয়েই গিয়েই চমকে উঠলাম। মাইক্রোম্যাক্স ! ফের একবার সমীকরণটা খুঁটিয়ে দেখলাম। খুনী কে তা আমি জানি।
পঞ্চম ধাঁধাঃ
লোকটা তার বউয়ের কাছে কোন পথে পৌঁছোবে?


ষষ্ঠ ধাঁধাঃ ওপরের ছবি থেকে তিনটে কাঠি সরিয়ে ওটাকে তিনটে বর্গক্ষেত্রে বদলে দাও।
সপ্তম ধাঁধাঁঃ ওপরের ছবি থেকে তিনটে কাঠি সরিয়ে ওটাকে পাঁচটা বর্গক্ষেত্রে বদলে দাও।
অষ্টম ধাঁধাঃ ওপরের ছবি থেকে পাঁচটা কাঠি সরিয়ে ওটাকে দুটো বর্গক্ষেত্রে বদলে দাও।
নবম ধাঁধাঃ
কীসের ছবি?(যা দেখছ তা নয়)

দশম ধাঁধাঃ
কোন পাখি?
