
ভূমিকা
মহাশূন্যের গভীর অন্ধকারে, যেখানে আলোও যেন পথ হারিয়ে ফেলে, সেখানে শনিগ্রহকে ঘিরে নীরবে ঘুরে বেড়ায় এক রহস্যময় ছোট্ট জগৎ ‘এনসিলেডাস’ (Enceladus)। দূর থেকে তাকে দেখলে মনে হয় যেন নিছকই এক বরফঢাকা নিষ্প্রাণ গোলক, কিন্তু তার বুকের ভেতর যেন লুকিয়ে আছে অজানা কোনও গল্প, কোনও গোপন সুর। যেন শীতল নীরবতার আড়ালে সে বলছে, ‘আমার মধ্যে জীবন আছে। আমার মধ্যে গল্প আছে। তুমি কি শুনতে পাও?’ মহাশূন্যের এই নির্জন প্রান্তে, সূর্যের ক্ষীণ আলোয় ঝলমল করা এনসিলেডাস যেন এক কবির অদেখা কাব্য, যার প্রতিটি পঙক্তি বরফে লেখা, অথচ যার অন্তর্লীন অর্থ উষ্ণ ও সজীব।
শনিগ্রহের বলয়ের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা এই ক্ষুদ্র উপগ্রহটি যেন প্রকৃতির এক অনন্য শিল্পকর্ম। তার শুভ্রতা এতটাই নির্মল যে সূর্যের আলো পড়লে সে প্রায় আয়নার মতো প্রতিফলিত করে সেই আলোকে যেন অন্ধকারের বুকেই জ্বলে ওঠা এক নীরব প্রদীপ। কিন্তু এই সৌন্দর্যের আড়ালেই লুকিয়ে আছে এক বিস্ময়কর সত্য। এনসিলেডাসের দক্ষিণ মেরু অঞ্চল থেকে ছিটকে বেরিয়ে আসে জলীয় বাষ্প ও বরফকণার বিশাল ফোয়ারা যেন কোনও অদৃশ্য প্রাণশক্তি ভেতর থেকে তাকে নিশ্বাস ফেলতে বাধ্য করছে। সেই ফোয়ারাগুলো মহাশূন্যে ছড়িয়ে পড়ে তৈরি করে শনির বলয়ের একাংশ। গ্রহ ও উপগ্রহের মধ্যে এ যেন এক চলমান জীবন্ত সংযোগ।
এই দৃশ্য কেবল বৈজ্ঞানিক বিস্ময়ই নয়, বরফের নীচে লুকোনো সাগরের নিঃশব্দ গল্পকথা। এনসিলেডাসকে বাইরে থেকে নিস্তব্ধ ও প্রাণহীন বলে মনে হলেও এর ভিতরে হয়তো প্রবাহিত হচ্ছে জীবনের উষ্ণ স্রোত। আর সেই কারণেই মহাশূন্যের অসীম অন্ধকারে এনসিলেডাস কেবল একটি উপগ্রহ নয়, সে এক রহস্য, এক গল্প, এক অনন্ত প্রশ্নের দরজা যার উত্তর খুঁজতেই মানুষ আজও তাকিয়ে থাকে সেই দিকেই।
আবিষ্কার ও নামকরণ
শনিগ্রহের একটি ছোট্ট উপগ্রহ এনসিলেডাস। ১৭৮৯ সালের ২৮ আগস্ট ইংরেজ জ্যোতির্বিজ্ঞানী উইলিয়াম হার্শেল (William Herschel) সর্বপ্রথম এই উপগ্রহটি খুঁজে পান। তিনি নিজের তৈরি শক্তিশালী টেলিস্কোপ দিয়ে আকাশ পর্যবেক্ষণ করছিলেন। সেই পর্যবেক্ষণের সময়ই শনির পাশে একটি ক্ষুদ্র আলোকবিন্দু তাঁর চোখে পড়ে। পরে সেটিই এনসিলেডাস হিসেবে পরিচিত হয়। তখন মহাকাশ সম্পর্কে মানুষের জ্ঞান খুবই সীমিত ছিল। তবুও এই আবিষ্কার ছিল এক বড়ো সাফল্য।
আবিষ্কারের অনেক বছর পর পর্যন্ত এই উপগ্রহের নির্দিষ্ট কোনও নাম ছিল না। তখন শনির উপগ্রহগুলোকে সাধারণভাবে সংখ্যা দিয়ে চিহ্নিত করা হত। যেমন শনি-২, শনি-৩ ইত্যাদি। পরে উনিশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে নামকরণের প্রয়োজন দেখা দেয়। ১৮৪৭ সালে ইংরেজ জ্যোতির্বিজ্ঞানী জন হার্শেল (John Herschel) এই কাজটি করেন। তিনি ছিলেন আবিষ্কারকের পুত্র। তিনি শনির উপগ্রহগুলোর জন্য গ্রিক পুরাণ থেকে নাম প্রস্তাব করেন।
‘এনসিলেডাস’ নামটি এসেছে গ্রিক পুরাণের এক দৈত্যের নাম থেকে। এই দৈত্য ছিল টাইটানদের বংশধর। পুরাণে বলা হয়, দেবতাদের সঙ্গে যুদ্ধে এনসিলেডাস অংশ নিয়েছিল। সেই কারণেই শনির উপগ্রহগুলোর নাম টাইটান ও তাদের বংশধরদের নাম অনুসারে রাখা হয়। এই নামটি বিজ্ঞান ও পুরাণের এক সুন্দর মেলবন্ধন তৈরি করে।
ভৌত বৈশিষ্ট্য
শনির উপগ্রহ এনসিলেডাস আকারে ছোটো হলেও তার বৈশিষ্ট্য বেশ গুরুত্বপূর্ণ। এর গড় ব্যাস প্রায় ৪৯৯ কিলোমিটার। অর্থাৎ, এটি খুব বড়ো কোনও উপগ্রহ নয়। পৃথিবীর চাঁদের তুলনায় এটি অনেক ছোটো। ছোটো আকারের জন্য এর মাধ্যাকর্ষণ শক্তিও কম।
এর ঘনত্ব প্রায় ১.২৪ গ্রাম প্রতি ঘন সেন্টিমিটার। এই মান খুব বেশি নয়। এর অর্থ হল, এটি সম্পূর্ণ পাথুরে নয়। এর ভেতরে বরফের পরিমাণ অনেক বেশি। বিজ্ঞানীরা মনে করেন, এনসিলেডাসের ভেতরে বরফ ও পাথরের মিশ্রণ রয়েছে। বাইরের অংশটি মূলত বরফে ঢাকা। এই বরফ শক্ত পাথরের মতো জমাট। এখানে পাঁচ প্রকারের ভূমিরূপ গঠন দেখতে পাওয়া যায়। গহ্বর ছাড়াও রয়েছে সমতল ভূমি এবং বিস্তৃত লম্বা ফাটল ও চূড়া।
এনসিলেডাসের পৃষ্ঠে বরফের স্তর ক্রমাগত বদলে যাচ্ছে। কোথাও নতুন বরফ জমছে। কোথাও পুরোনো বরফ ভেঙে যাচ্ছে। এই সক্রিয় পরিবর্তনের কারণেই এটি সৌরজগতের সবচেয়ে জীবন্ত বরফময় জগতগুলোর একটি। বিজ্ঞানীরা মনে করেন, এর বরফের নীচে লুকিয়ে থাকতে পারে বিশাল তরল জলের মহাসাগর। তাই প্রাণের সম্ভাবনা অনুসন্ধানে এনসিলেডাস আজ বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
এই উপগ্রহটির গঠন বেশ মসৃণ ও উজ্জ্বল। এর পৃষ্ঠে পতিত সূর্যের আলোকরশ্মির ৯০ শতাংশেরও বেশি প্রতিফলিত হয়। তাই এটি সৌরজগতের সবচেয়ে উজ্জ্বল বস্তুর একটি হিসেবে ধরা হয়। ছোটো আকার, কম ভর এবং কম ঘনত্ব—এই তিনটি বৈশিষ্ট্য একসঙ্গে এনসিলেডাসকে একটি অনন্য বরফময় জগৎ হিসেবে গড়ে তুলেছে। এর ভূপৃষ্ঠের তাপমাত্রা অস্বাভাবিক শীতল, প্রায় -২০১ ডিগ্রি (-2010) সেলসিয়াস।
কক্ষপথ ও ঘূর্ণন বৈশিষ্ট্য
এনসিলেডাস একটি নির্দিষ্ট প্রায় বৃত্তাকার কক্ষপথে শনিগ্রহকে প্রদক্ষিণ করে। একটি পূর্ণ আবর্তন সম্পন্ন করতে এর সময় লাগে প্রায় ১.৩৭ দিন। অর্থাৎ, পৃথিবীর হিসেবে দেড় দিনেরও কম। ফলে সেখানে বছর খুবই ছোটো। দ্রুত আবর্তনের কারণে এর কক্ষপথ বেশ স্থিতিশীল। গ্রহটি থেকে এর গড় দূরত্ব প্রায় ২,৩৮,০০০ কিলোমিটার। এই দূরত্ব খুব বেশি নয়। তাই এটি শনির শক্তিশালী মহাকর্ষের প্রভাবের মধ্যে থাকে।
পৃথিবীর মতো এনসিলেডাসেরও আহ্নিক গতি আছে। তবে এর একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য আছে। এটি টিডাল লকড অবস্থায় রয়েছে। এর মানে হল, এটি যত সময়ে শনিকে একবার প্রদক্ষিণ করে, ঠিক তত সময়েই নিজের অক্ষে একবার ঘোরে। ফলে এর একটি দিক সবসময় শনির দিকে মুখ করে থাকে। আর অন্য দিকটি সবসময় শনির বিপরীতে থাকে। এই কারণে এনসিলেডাসে দিন ও বছরের সময় একই। এই ধরনের ঘূর্ণন বৈশিষ্ট্য অনেক উপগ্রহের ক্ষেত্রেই দেখা যায়।
শনির মহাকর্ষ এবং কাছাকাছি অবস্থান এনসিলেডাসের ভেতরে প্রভাব ফেলে। এই প্রভাবকে জোয়ার-ভাটা শক্তি বলা হয়। এই শক্তি এর অভ্যন্তরকে কিছুটা উষ্ণ রাখে। ফলে এর ভেতরে বরফের নীচে তরল জলের অস্তিত্ব থাকার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এইভাবে কক্ষপথ ও ঘূর্ণন এই দুই বৈশিষ্ট্যই এনসিলেডাসকে একটি সক্রিয় ও রহস্যময় জগতে পরিণত করেছে।
বরফাচ্ছাদিত ভূতত্ত্ব
শনির অসংখ্য উপগ্রহের ভিড়ে এনসিলেডাস যেন এক উজ্জ্বল ব্যতিক্রম, যা দূর থেকে শান্ত ও শীতল মনে হলেও এর অন্তরে রয়েছে এক অশান্ত আগ্নেয় সত্তা। মহাকাশবিজ্ঞানীরা কখনো-কখনো একে ‘বরফের পৃথিবী’ বলে অভিহিত করেন, কারণ এখানকার প্রতিটি পাহাড়, খাদ আর সমতল ভূমি গড়ে উঠেছে পাথরের বদলে জমাটবদ্ধ জল দিয়ে। এনসিলেডাসের ভূতাত্ত্বিক গঠনের সবচেয়ে রোমাঞ্চকর নিদর্শন হল এর দক্ষিণ মেরুর সেই বিশালাকার ফাটলগুলো, যা দেখতে বাঘের গায়ের ডোরার মতো বলে পরিচিতি পেয়েছে ‘টাইগার স্ট্রাইপস’ নামে। এই ফাটলগুলো মূলত জীবন্ত আগ্নেয়গিরির কাজ করে, তবে সেখান থেকে পৃথিবীর মতো তপ্ত লাভা নয়, বরং প্রচণ্ড চাপে বেরিয়ে আসে জলীয় বাষ্প, বরফকণা আর নানা জৈব গ্যাস। এই ক্রায়োভলকানিজম বা শীতল আগ্নেয় প্রক্রিয়াই প্রমাণ করে যে এনসিলেডাস মৃত কোনও উপগ্রহ নয়, বরং ভেতরে ভেতরে অত্যন্ত সক্রিয়।
এই ফাটলগুলোর চারপাশে তাকালে দেখা যায় মসৃণ সমভূমি, যেখানে উল্কা-গর্তের সংখ্যা অত্যন্ত নগণ্য। বিজ্ঞানীদের মতে, এর কারণ অভ্যন্তরীণ উষ্ণ জল যখন উপরে উঠে আসে, তখন তা পুরোনো ক্ষতগুলো মুছে দিয়ে নতুন এক মসৃণ পৃষ্ঠ তৈরি করে। শনির প্রবল মহাকর্ষীয় টানে এনসিলেডাসের ভেতরে যে ঘর্ষণ ও তাপের সৃষ্টি হয়, তা-ই পৃষ্ঠতলের নীচে লুকিয়ে থাকা সমুদ্রের জলকে তরল রাখে এবং ফাটল দিয়ে সেই জলকে মহাকাশে ছুড়ে দেয়। মজার ব্যাপার হল, এনসিলেডাস থেকে ছিটকে আসা এই বরফকণাগুলোই শনির বিখ্যাত ‘ই-রিং’ বা বহির্বলয় তৈরির প্রধান উপাদান হিসেবে কাজ করে। অর্থাৎ, শনির একটি বলয় টিকে থাকার রসদ জুগিয়ে যাচ্ছে এই ছোট্ট উপগ্রহটি। এনসিলেডাসের উপরিভাগে প্রাচীন গর্তময় অঞ্চল এবং নবীন মসৃণ অঞ্চলের সহাবস্থান প্রমাণ করে যে এর ভূতাত্ত্বিক ইতিহাসে বার বার ভাঙাগড়া চলেছে। তরল জল, প্রয়োজনীয় রাসায়নিক (মিথেন, কার্বন ডাই-অক্সাইড এবং অ্যামোনিয়ার মতো জৈব অণু) উপাদান এবং শক্তির উৎস হিসেবে তাপের উপস্থিতি এনসিলেডাসকে ভিনগ্রহে প্রাণের সন্ধানে বিজ্ঞানীদের প্রধান লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছে। বরফাবৃত এই ক্ষুদ্র জগতের গভীরে হয়তো লুকিয়ে আছে জীবনের আদি কোনও স্পন্দন, যা উন্মোচনের অপেক্ষায় এখন অধীর আগ্রহে প্রহর গুনছে নাসা ও বিশ্ব মহাকাশ গবেষণা সংস্থাগুলো।
ভবিষ্যৎ মহাকাশ মিশন ও গবেষণা পরিকল্পনা
ভবিষ্যতে এনসিলেডাসকে নিয়ে মহাকাশ গবেষণা সংস্থাগুলোর পরিকল্পনা অত্যন্ত সুদূরপ্রসারী। ক্যাসিনি মিশনের সাফল্যের পর বিজ্ঞানীরা বর্তমানে এমনসব মিশনের নকশা করছেন যা সরাসরি প্রাণের চিহ্ন বা ‘বায়োসিগনেচার’ শনাক্ত করতে সক্ষম হবে।
নাসার অন্যতম প্রধান পরিকল্পনা হল ‘এনসিলেডাস অরবিবল্যান্ডার’ (Enceladus Orbilander) মিশন। এই পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০৩০-এর দশকের শেষের দিকে একটি মহাকাশযান উৎক্ষেপণের কথা ভাবা হয়েছে। এটি প্রথমে এনসিলেডাসের কক্ষপথে থেকে এর ফোয়ারাগুলো বা ‘প্লুম’ থেকে নমুনা সংগ্রহ করবে এবং পরবর্তীতে দক্ষিণ মেরুর বরফে ঢাকা পিঠে অবতরণ করবে। এর মূল লক্ষ্য হবে সমুদ্রের গভীর থেকে উঠে আসা জৈব অণুগুলোর বিস্তারিত বিশ্লেষণ করা।
ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থাও (ESA) একটি বিশদ মিশনের প্রস্তুতি নিচ্ছে যা ২০৪০-এর দশকে কার্যকর হতে পারে। তারা এমন একটি যান পাঠানোর কথা ভাবছে যা এনসিলেডাসের দক্ষিণ মেরুর ‘টাইগার স্ট্রাইপস’ বা ফাটলগুলোর খুব কাছ দিয়ে উড়ে যাবে এবং প্রয়োজনে বরফের নীচে থাকা সমুদ্রের উপাদান পরীক্ষার জন্য বিশেষ ল্যান্ডার ব্যবহার করবে।
উপসংহার
পরিশেষে বলা যায়, এনসিলেডাস সৌরজগতের অন্যান্য উপগ্রহের তুলনায় এক অনন্য বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত জ্যোতিষ্ক। ইউরোপার মতো বিশাল বরফরাজ্য বা টাইটানের মতো ঘন বায়ুমণ্ডল না থাকলেও এর সক্রিয় জলীয় ফোয়ারা এবং সমুদ্রের তলদেশের তাপীয় শক্তি একে বিশেষত্ব দান করেছে। মহাকাশ গবেষণার ক্ষেত্রে এটি কেবল শনির একটি উপগ্রহ নয়, বরং পৃথিবীর বাইরে প্রাণের অস্তিত্ব খোঁজার জন্য অন্যতম উজ্জ্বল এক সম্ভাবনাময় স্থান। ক্ষুদ্র আয়তন সত্ত্বেও নিজস্ব স্বকীয়তায় এনসিলেডাস আজও বিজ্ঞানীদের কাছে এক রহস্যময় ও আকর্ষণীয় গবেষণার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।
তথ্যসূত্র:
- নাসার (NASA) অফিসিয়াল ওয়েবসাইট
- The Planetary Science Journal-এ প্রকাশিত সাম্প্রতিক গবেষণাপত্র
- Nature Astronomy & Science Magazine
- ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থার (European Space Agency) ‘Voyage 2050’ পরিকল্পনা এবং ভবিষ্যতে শনির উপগ্রহগুলোতে তাদের প্রস্তাবিত মিশন সংক্রান্ত নথিপত্র।
এই লেখকের অন্যান্য বিজ্ঞানবিষয়ক প্রবন্ধ
ধ্রুবতারা ধ্রুব নয়, মহাকাশে আমরা কোথায়, বিস্ময় ভরা ‘আদ্রা’ নক্ষত্র, সৌড়ঝড়ের আঘাতে টালমাটাল পৃথিবী, কৃষ্ণগহ্বর, পিঙ্গল বামন, সূর্য, সৌরকলঙ্ক, মহাকাশের ভূতুড়ে আলো, কোয়াসার, মহাকাশের অচেনা বস্তু-পালসার, মহাবিশ্বে মহাকাশে-চান্দ্রপথ (অশ্বিনী থেকে রেবতী) – (১), মহাবিশ্বে মহাকাশে-চান্দ্রপথ অশ্বিনী থেকে রেবতী-২, মহাবিশ্বে মহাকাশে-চান্দ্রপথ অশ্বিনী থেকে রেবতী-৩, মহাবিশ্বে মহাকাশে-আকাশগঙ্গার ভবিষ্যৎ, মহাবিশ্বে মহাকাশে-মহাবিশ্বে মহাকাশে-চান্দ্রপথ অশ্বিনী থেকে রেবতী-৪, মহাবিশ্বে মহাকাশে-মহাবিশ্বে মহাকাশে-চান্দ্রপথ অশ্বিনী থেকে রেবতী-৫,চান্দ্রপথ অশ্বিনী থেকে রেবতী-৬, অগস্ত্য-বাতাপি উপাখ্যান ও জ্যোতির্বিজ্ঞান, মহাবিশ্ব সৃষ্টির গোড়ার কথা, মহাবিশ্বে মহাকাশে- নক্ষত্র সৃষ্টির রহস্য, মহাবিশ্বে মহাকাশে-নক্ষত্রের শেষ দিন, মহাবিশ্বে মহাকাশে- চাঁদের ভবিষ্যৎ, মহাবিশ্বে মহাকাশে তারাজগতের সৃষ্টি রহস্য, মহাবিশ্বে মহাকাশে তারাজগতের প্রকারভেদ, মহাবিশ্বে মহাকাশে – বিচিত্র গ্যালাক্সি, ১১-এর জালে নিল আর্মস্ট্রং, মহাবিশ্বে মহাকাশে-গ্রহ থেকে গ্রহান্তরে-বুধ গ্রহ, মহাবিশ্বে মহাকাশে-গ্রহ থেকে গ্রহান্তরে-শুক্র গ্রহ, মহবিশ্বে মহাকাশে-আমাদের বাসভূমি পৃথিবী, মহবিশ্বে মহাকাশে-চাঁদ, মঙ্গলগ্রহ, ফোবস, ইউরোপা, গ্যানিমিড, ক্যালিস্টো, স্যাটার্ন, টাইটান
জয়ঢাক প্রকাশন থেকে এই লেখকের লেখা মহাবিশ্বে মহাকাশে বইটি কিনতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন
বৈজ্ঞানিকের দপ্তর সব লেখা একত্রে