কাতুকুতু– গণিতজ্ঞ, মাকড়শার স্বাদ ইত্যাদি রসিকলাল দাস বসন্ত ২০২০

জয়ঢাকি কাতুকুতু লাইব্রেরি 

গণিতজ্ঞ

দিদিমণিঃ আমি তোমাকে সোম, মঙ্গল ও বুধবারে দুটি করে বেরাল উপহার দিলাম। তাহলে বৃহস্পতিবার তোমার বাড়িতে ক’টি বেড়াল হল?

ছাত্রঃ শূন্যটি।

দিদিমণিঃ কী মুশকিল! আচ্ছা ঠিক আছে। আমি ধরো তোমাকে ফার্স্ট পিরিওডে দুটো, সেকেন্ড পিরিওডে দুটো আর থার্ড পিরিওডে দুটো আপেল দিলাম। তাহলে তোমার কাছে ক’টা আপেল হল?

ছাত্রঃ সাতটা।

দিদিমণিঃ কী জ্বালা! আচ্ছা বল তিনবার দুই যোগ করলে কতো হয়?

ছাত্রঃ ছয়।

দিদিমণিঃ এই তো। তাহলে আগেরগুলোর ভুলভাল জবাব দিলি যে!

ছাত্রঃ উঁহু। সব ঠিক বলেছি। মা আজ ব্যাগে একটা আপেল টিফিনে দিয়েছে আর বাবা বেরাল বাড়িতে ঢোকালেই মেরে তাড়িএ দেবে।

মাকড়শার স্বাদ

ছেলেঃ বাবা,মাকড়শা খেতে কেমন?

বাবাঃ ইশ কী বিচ্ছিরি কথা! কক্ষনো ওসব করতে যাবে না।

ছেলেঃ কেন?

বাবা(হেসে)  মাকড়শারা লম্বা লম্বা পা নিয়ে তোমার পেটের ভেতর জাল বুনবে। তারপর হুল ফোটাবে। তারপর…

ছেলেঃ ও বাবা…

বাবাঃ ভয় কী? তুমি তো আমার লক্ষ্মী ছেলে। বাবার কথা শোনো। কক্ষণো যেন…

ছেলে না বাবা। ওরে বাবা, এবার কী হবে?
বাবাঃ কী আবার হবে। তুমি ওসব বিচ্ছিরি জিনিস…

ছেলেঃ না না আমি না। তোমার জলের গ্লাসে একটা মাকড়শা পড়েছিল এইমাত্র। তুমি তো সেইশুদ্ধুই খেয়ে নিলে…

ক্যালকুলেটর

সান্তাঃ ক্যালকুলেটরে দশের সঙ্গে সাত যোগ করা যায় না।

বান্তাঃ কেন?

সান্তাঃ ক্যালকুলেটরে দশের কোনো বোতাম নেই।

Leave a Reply