জানো কী?
১। আমরা যে আকাশগঙ্গা গ্যালাক্সিতে থাকি সেটার ব্যাস হল ১,২০,০০০
আলোকবর্ষ, মানে তার এ মুড়ো থেকে ও মুড়োয় যেতে আলোর সময় লাগে অতগুলো বছর।
২। আকাশগঙ্গা গ্যালাক্সির দু দিকে বড়ো আর ছোটো ম্যাজিলানিক মেঘ নামের দুখানা তুলনায় ছোটো গ্যালাক্সি ঘোরে। তাদের টানাপোড়েণে আকাশগঙ্গার চেহারাটা অনেকটা ইংরিজি আট এর মতো দেখায়। বিজ্ঞানীদের তৈরি মডেল দেখাচ্ছে তারা যখন আকাশগঙ্গাকে ঘিরে ঘোরে তখন তাদের পরিবর্তনশীল টানে আকাশগঙ্গা হালকা নড়াচড়া করতে থাকে, ঠিক যেন পাখা ঝাপটাচ্ছে।
৩। দেবতাদের মাথায় বেশ একটা জ্যোতি দেখা যায়। আকাশগঙ্গার চারধারেও তেমনই একটা জ্যোতি আছে। তফাত হল, সে জ্যোতিকে চোখে দেখা যায় না। আলো, রেডিও তরঙ্গ কিছুই তার সঙ্গে কোন ক্রিয়াপ্রতিক্রিয়া করে না। আকাশগঙ্গার মোট ভরের শতকরা নব্বই ভাগই ওই জ্যোতির ভর। সে জ্যোতি তৈরি হয় অদৃশ্য বস্তু ডার্ক ম্যাটার দিয়ে। একমাত্র তার মহাকর্ষীয় প্রভাব থেকে তার অস্তিত্ত্ব আন্দাজ করা যায়।
৪।মিল্কি ওয়েতে তারা আছে দশ হাজার কোটিরও বেশি। গোটা ব্রহ্মাণ্ডের যতটা দেখা যায়, অর্থাৎ দৃশ্যমান ব্রহ্মান্ডে তারা আছে আনুমানিক ১০ সিক্সটিলিয়ন (মানে একের পিঠে ২২টা শূন্য) গোটা ব্রহ্মাণ্ডে তারা আছে আনুমানিক ১০ অক্টিলিয়ন (মানে ১ এর পিঠে ২৯টা শূন্য)। তার মধ্যে গভীরতম অন্ধকার রাতের আকাশে খালি চোখে পৃথিবীর দুই গোলার্ধের সব জায়গা থেকে নিরীক্ষণ ধরলে খালি চোখে দেখা যায় মাত্র ৯০৯৬টা। একটা ১৫ ইঞ্চি টেলিস্কোপ দিয়ে দেখা যায় ৩৮ কোটি তারা।
৫। আরেকটা মজার খবর হল , একজন সাধারণ চেহারার মানুষের শরীরে পরমাণুর সংখ্যা গোটা ব্রহ্মাণ্ডের মোট তারার সংখ্যার দশ ভাগের এক ভাগ আর দৃশ্যমান ব্রহ্মান্ডের মোট তারার সংখ্যার ১০ লক্ষগুণ বেশি, মানে ১ এর পিঠে ২৮ টা শূন্য। তার মানে , দশটা মানুষের শরীরে যত পরমাণূ আছে, সেটা ব্রহ্মাণ্ডের সব তারার আনুমানিক সংখ্যার সমান।
1 thought on “জানো কী???????”