গল্প-শীত বসন্ত সোনার টিয়ে ইত্যাদি: একটি রূপকথা-তন্দ্রা বন্দ্যোপাধ্যায়-বর্ষা ২০২৩

তন্দ্রা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আগের গল্প-তেতলার বারান্দা, ফলওয়ালা, জলপরী

Blank 27

বসন্ত অর্থাৎ মেজো রাজকুমার এসে বড়ো কুমার শীতকে বললেন, “দাদা, ব্যাপার সুবিধের বুঝছি না, বুঝলি।”

প্রথমেই বলে দিই এটা রূপকথার দেশ—তবে সেকেলে নয়, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে একটু আধটু বদল হয়েছে বইকি। মানে চরিত্ররা আছে—সেই রাজা, দুয়োরানি, সুয়োরানি, রাক্ষসীরানি, রাজপুত্র, রাজকন্যা, ইন্দ্রজাল, পাতালকন্যা, ঘুমন্তকন্যা ইত্যাদি সবই আছে, তবে একটু অন্যরকম। আর গল্পগুলো কাঠামোটা মোটামুটি এক থাকলেও ওরই মধ্যে খানিকটা আধুনিক। মূল কাঠামোটা সবাই জানে, তবু সুবিধেমতো একটু এদিক-ওদিক করা যায় আজকাল।

যথারীতি এই রাজ্যে দুয়োরানির পরিস্থিতি ভালো ছিল না মোটেই—দুই ছেলে শীত-বসন্তকে নিয়ে বেশ একটু সন্ত্রস্তই থাকতেন। সুয়োরানিটি মোটেই সুবিধের নন। সারাক্ষণ সতীন আর সতীনপোদের হেনস্থা, গালাগাল, চেঁচামেচি, ঝগড়াঝাঁটি, কান্নাকাটি, ফিটের ব্যামো—মহা ঝামেলা। রাজা আবার বড্ড ভালোমানুষ টাইপের—অশান্তির ভয়ে দাবাখেলা, মাছধরা আর পায়রা পোষা নিয়ে সদর মহলেই থাকেন। মন্ত্রীরা, অমাত্যেরাই দক্ষ হাতে রাজ্য চালান।

তারপর একদিন কী অঘটন—দুয়োরানি নাকি নদীতে ডুবে মারা গেছেন। সুয়োরানি চোখে আঁচল দিয়ে মায়াকান্না কেঁদে বললেন, “ইস কী হল গো! দুজনে ঘাটে চ্যান কত্তে গেলুম, দিদিকে বল্লুম এসো ক্ষার খৈল মাখিয়ে দিই, লোকে যাই বলুক আমরা তো দুটি বোনের মতো। এই আমার সখী দাসীদের শুধোও না। তাপ্পর দিদি পিছলে পড়ে জলে ভেসে গেল গো! কী হবে গো, ইঁহিঁহিঁইি….”

কী আর হবে? শীত-বসন্ত খুব কান্নাকাটি করছিলেন, কিন্তু এক জেলের ছেলে—অল্প বয়স থেকে শীত-বসন্ত তৃণমূল স্তরের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতেন, মানে জেলে জোলা হেলেচাষি কাঠুরে কামার কুমোর এদের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক ছিল—তো সেই উঠতি বয়সের জেলেপুত্র নদীর ঘাটের কাছে আশশ্যাওড়ার ঝোপের আড়ালে সংগোপনে রানির সখী-দাসীদের স্নানলীলা দেখছিল। সে-ই চুপিচুপি শীত-বসন্তকে এসে বলে গেছিল, “কেঁদো নি গো বড়ো কুমারদা, মেজো কুমারদা। বড়ো রানিমা ডুবে যাননি। স্বচক্ষে দেখিচি ওই সুয়োরানি ওঁর মাথায় কী যেন টিপে দিল আর উনি সোনার টিয়া হয়ে টি-টি কত্তে কত্তে উড়ে গেলেন। এই আমার মাতার ওপর দিয়েই। এই নাও একটা সোনার পালক—খসে পড়ে গেছিল, আমি কুড়িয়ে নিইচিলুম।”

শীত-বসন্ত ঠিক করেছিলেন, বড়ো হয়ে মাকে খুঁজে বের করবেনই।

সুয়োরানির আবার তিন ছেলে—না না, এ-গল্পে তিন ছেলে নয়, দুই ছেলে আর এক মেয়ে—গ্রীষ্ম, হেমন্ত আর বর্ষা। তো তাদের প্যাঁকাটির মতো চেহারা, ফুঁ দিলে উড়ে যায়, সারাক্ষণ ঘ্যানঘ্যান করছে। সুয়োরানি ওদের মোটাসোটা করার জন্য চার বেলা পোলাও, ঘি চপচপে পঞ্চব্যঞ্জন, তেলতেলে মাছভাজা, মাংসের কালিয়া, ঘন দুধ-ক্ষীর-পায়েস জোর করে খাওয়ান সোনার থালা-বাটিতে। ফলে তাদের নিত্যি পেটখারাপ, আমাশা, পেটব্যথা আর পিলের অসুখ লেগেই থাকে। পাঠশালায় যাবে কী করে? এদিকে রাজবৈদ্যের বলে দেওয়া পথ্য সুয়োরানি ওদের খাওয়াবেন না, কিন্তু বৈদ্যের পিণ্ডি চটকাবেন। কোনদিন না গর্দান নেন। ফলে রাজবৈদ্য আজকাল বানপ্রস্থে যাওয়ার কথা ভাবছেন।

এদিকে শীত-বসন্তের জন্য বরাদ্দ কাঁসার থালায় মোটা ভাত, ডাল, শাকসবজি আর টক দই; আর হেঁসেলের পুরোনো দাসীরা চুপিচুপি মাছটা আঁশটা, মাংসের টুকরোটা দিয়ে দেয় পাতে। বুড়ো রাজপুরোহিত লুকিয়ে পুজোর প্রসাদী ফল-সন্দেশ দিয়ে যান। শীত-বসন্ত নিয়মিত শরীরচর্চা করেন, অস্ত্রশিক্ষা করেন, মল্লযুদ্ধ শেখেন। রাজপুত্রদের ট্রেনিং কোর্স তো আছেই। তো শীত-বসন্তের তাগড়াই স্বাস্থ্য, সুন্দর চেহারা আর গুণ বিদ্যে জনপ্রিয়তা দেখে সুয়োরানি হিংসেতে জ্বলতে পুড়তে থাকেন। ফলে রোজ অম্বল আর বুকজ্বালা, মেজাজ খারাপ, উচ্চ রক্তচাপ, চিলচিৎকার। অ্যাঙ্গার ম্যানেজমেন্ট কন্ট্রোলের কথাটা ভয়ে ভয়ে রাজামশাই একবার বলতে গিয়ে বিশাল মুখঝামটা খেয়ে পুকুরধারে নতুন মিনে-করা সোনার ছিপটা নিয়ে গিয়ে সারাদিন বসে ছিলেন।

সে যাই হোক। শীত চানাচুর খেতে খেতে ‘রাজপুত্রদের গোপন নৈশ জীবন’ বইটা পড়ছিলেন, বসন্তের কথা শুনে বললেন, “আবার কী হল! আবার রাজদণ্ডনীতির থিওরি পরীক্ষায় ফেল করেছিস?”

“আরে ধুত থিওরি! মহা ঝামেলা বেধেছে। হেমন্তের জণ্ডিস হয়েছে, সুয়ো-মা ধেই ধেই করে নাচছে। গোপন সূত্রে খবর পেয়েছি, এবার আমাদের জল্লাদ দিয়ে বনে নিয়ে গিয়ে ঘ্যাচাং করে কেটে রক্তটা বালতি করে আনিয়ে সেই দিয়ে চান করার ডিসিশন নিয়ে ফেলেছে।”

“আজকাল আর কেউ ওসব করে নাকি? তাছাড়া জল্লাদকাকু আমাদের ছোটো থেকে দেখছে, ও আমাদের বাঁচিয়ে দেবে’খন। শেয়াল-টেয়াল কেটে তার রক্ত নিয়ে গিয়ে…”

“না রে দাদা, কে একটা নতুন জল্লাদ এসেছে, সুয়ো-মার বাপের বাড়ির লোক।”

শীত সোনার খড়কে কাঠি দিয়ে দাঁত খোঁচাতে খোঁচাতে ভাবতে লাগলেন। কিছুক্ষণ পরে বললেন, “হুম। শোন, চ’ আমরা নিজেরাই কেটে পড়ি। আমারও আজকাল ভালো ঠেকছে না। টুকটাক জিনিসপত্র আর তরোয়াল গুছিয়ে নে, বাবাকে চুপিচুপি বলে আজ রাত্তিরেই যাই। সুয়ো-মার সেই খোঁচা-গোঁফ মিচকে পিসতুতো ভাইটাকে দেখলেই গুপ্তঘাতক মনে হয়। আমাদের বাগানে ক’দিন দেখেছি। বলছে নাকি সুরক্ষা পরিদর্শন করছে। ঢপ দিচ্ছে বোঝাই যায়।”

তাই হল শেষ পর্যন্ত। রাজামশাই খুশিই হলেন। ওঁর তো পালাবার উপায় নেই। শীত-বসন্তের মাথায় হাত বুলিয়ে আশীর্বাদ-টাদ করে ওদের রাজবংশের গোপন দুষ্প্রাপ্য গজমোতি আর একস্ট্রা জতুমুদ্রাটা দিয়ে দিলেন।

তা নিয়মমতো শীত-বসন্ত গভীর বনে গিয়ে চলতে লাগলেন। মানে লোকালয়ে গেলেই তো সুয়োরানির অনুচররা খপ করে ধরে ফেলবে কিনা। এইভাবে বহুদূর চলে এলেন, অন্য কোনও রাজ্য হবে নিশ্চয়ই। রাজপুত্রদের ‘বনে আত্মরক্ষা’ প্রশিক্ষণ থাকে, তাই তেমন অসুবিধে নেই।

কিন্তু একটা প্ল্যান থাকতে হবে তো? কী করবেন ভাবছেন দুজনে। এমন সময় এক অরণ্যবাসীর মুখে শুনলেন, রাজহস্তী ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বয়স্ক রাজার পুত্র নেই, শুধু একাধিকা কন্যা। তাই ঠিক হয়েছে শ্বেত রাজহস্তী (এদের ভয়ংকর বুদ্ধি হয় এবং এরা প্রচণ্ড বদমেজাজিও) যে সুলক্ষণযুক্ত যুবককে পিঠে তুলে নেবে, সে-ই রাজা হবে এবং জ্যেষ্ঠ্যা রাজকন্যাকে তার হাতেই সম্প্রদান করা হবে।

“এই রে, ওই তো সামনের দিক থেকেই আসছে মনে হচ্ছে গাছপালা ভাঙতে ভাঙতে, পালাও পালাও!” বলে অরণ্যবাসী কোমরে লুঙ্গিটা গুঁজে নিয়ে উধাও হল।

শীত-বসন্ত না পালিয়ে পাশের একটা এঁদো ডোবা থেকে জল তোলার অভিনয় করতে লাগলেন। মানে ওঁরা তো জানেনই কী হতে পারে। তাছাড়া ওঁরা হস্তীবিদ্যা ভালোই জানেন। হুড়মুড় করে হাতি এসে পড়ে ডোবার পাশে দাঁড়িয়ে ফোঁস ফোঁস করে হাঁপাতে লাগল। পিছনে পিছনে রাজার লোকলশকর। হাতিটা এদিক-ওদিক তাকিয়ে কাদামাখা শীতকে শুঁড়ে তুলে নিয়ে পিঠে বসাল। শীত বসন্তকে আঁকড়ে ধরে ছিলেন, সুতরাং দুজনেই উঠলেন। সবাই হইচই করে জয়ডঙ্কা বাজিয়ে ওঁদের পুরীতে নিয়ে গেল। হাতির পিছনে সেই তখন থেকে দৌড়ে দৌড়ে বেচারারা হতক্লান্ত হয়ে পড়েছিল, ভাবছিল ওভারটাইম পাবে কি না কে জানে।

সে-রাজ্যের রাজা শীত-বসন্তের পরিচয় পেয়ে এবং জতুমুদ্রা দেখে-টেখে ভারি খুশি হলেন। চান করার পর নব বস্ত্র অলংকার পরা সুপুরুষ রাজপুত্রদের দেখে সুন্দরী রাজকন্যা কলাবতী ফিক করে হাসলেন। আড়চোখে শীতের প্রতি হরিণ নয়নে কটাক্ষ বাণ হানলেন। বসন্ত মুচকি হেসে বললেন, “দেখি বউদি, আর দুটো ক্ষীরকদম্ব দাও তো।”

শীতের রাজ-অভিষেক এবং বিবাহটা ঘটাপটা করে পরের দিনই হল। উৎসব ইত্যাদি শেষ হলে বসন্ত বললেন, “এবার আমি চলি তবে।” কিন্তু স্বভাবতই সবাই হাউমাউ করে উঠল—কেউ যেতে দেবে না। কলাবতী বললেন, ‘আমার মাথা খাও ঠাকুরপো’ ইত্যাদি। রানিমা বেনারসির আঁচলে চোখ মুছলেন। রাজা সখেদে বললেন, তাঁর আর-একটি বয়স্কা কন্যা থাকলে তার সঙ্গেই বসন্তের বিয়ে দিতেন, কিন্তু কলাবতীর পরের মেয়েরা জাম্ববতী, পেয়ারাবতী, দ্রাক্ষাবতী ইত্যাদি সবাই বেশ ছোটো। তবে ওঁর মাসতুতো ভাই যে দুধরাজা (রূপকথার রাজ্যে রাজপরিবারদের পারিবারিক সম্পর্ক থাকত, ইউরোপের মতো) তাঁর এক সুযোগ্যা কন্যা আছে বটে, কিন্তু…

কলাবতী তাঁর মৃণাল-গ্রীবা বাঁকিয়ে, হীরের কঙ্কণে ঝংকার তুলে, সোনার পদ্মের মতো মুখ ঘুরিয়ে বললেন, “ওহ্‌, রূপবতীর কথা আর বোলো না, কী গুমোর! বলে কিনা যে রাজপুত্র গজমোতি এনে দিতে পারবে, তাকে ছাড়া কাউকে বিয়ে করবে না। ধনুকভাঙা পণ এক্কেবারে। নাকি ওর সোনার টিয়ে বলেছে। কথা শোনো একবার!”

শীত-বসন্ত দুজনেই চমকে উঠলেন। শীত বললেন, “সোনার টিয়ে?”

“হ্যাঁ গো। দেখতেই পাবে। কাল আমাদের সবার নেমন্তন্ন তো। তবে রাজ্যটা বেশ সুন্দর।”

বসন্তকে শীত চুপিচুপি বললেন, “গজমোতিটা নিয়ে চল, আর মা’র সোনার পালকটা এনেছিস তো?”

দুধরাজ্যে পৌঁছে সকলের মহা আড়ম্বরসহ সাদর অভ্যর্থনা হল। সকলে গুছিয়ে বসে বাক্যালাপ হচ্ছে, হাতে হাতে স্ফটিকের পাত্রে তরমুজের শরবত দেওয়া হয়েছে। রাজবাড়ির ব্যান্ড একটু দূরে দাঁড়িয়ে বাজনা-টাজনা বাজাচ্ছে। দাসীরা সোনার তাম্বুল-করঙ্ক নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে, মুক্তোর ঝালর দেওয়া ব্যাজন দোলাচ্ছে। একটু পরেই ভোজনের আয়োজন হবে।

বসন্ত মুগ্ধ নয়নে রাজকন্যা রূপবতীকে দেখতে লাগলেন। আহা, কী মেঘবরণ চুল, যেন তুলিতে-আঁকা মুখ-চোখ, সঞ্চারিণী পল্লবিনী লতার মতো তনুদেহখানি, আঙুলগুলি যেন চাঁপার কলি।

শীত বসন্তকে কনুইয়ের খোঁচা মেরে বললেন, “গজমোতিটা বের করে দে না, বাগদানটা হয়ে গিয়ে ঝামেলা মিটে যাক, দিব্যি খিদে পেয়ে গেছে।”

রাজকন্যা রূপবতী সখীকে ডেকে নির্দেশ দিতে সে একটি পান্না বসানো সোনার দাঁড় নিয়ে এল। তাতে ঝলমল করছে এক অপরূপ পাখি। সে শীত-বসন্তকে দেখে মধুর কণ্ঠে শিস দিল। রূপবতী বীণা-ঝংকারের মতো বললেন, “এই যে আমার সোনার টিয়া, রাজপুত্রগণ!”

শীত-বসন্ত টিয়া দেখে লাফিয়ে উঠলেন। শীত পালক বের করে বললেন, “এই দ্যাখ দ্যাখ মায়ের পালকটার মতো প্যাটার্ন অবিকল।”

রূপবতী হাঁ হাঁ করে উঠতে উঠতে বসন্ত তর্জনী বাড়িয়ে পাখির মাথাটা ঘষে দিতেই মাথার সেই সুয়োরানির টিপে দেওয়া ম্যাজিক ওষুধের বড়িটা টুপ করে খসে পড়ে গেল। আর তারপর কী হল তা কি আর বলতে হবে? পাখির বদলে সশরীরে এক দেবীর মতো হরিৎবসনা মহিলার আবির্ভাবে সকলে ভয়ংকর চমকে গেছিল। মাথা ঠান্ডা করে সবটা গল্প শুনে পরিষ্কার হল ব্যাপারটা।

এক ফাঁকে বসন্ত টুক করে গজমোতির মালাটা রূপবতীর গলায় পরিয়ে দিলেন। রূপবতী লজ্জায় রাঙা হয়ে কলাবতীর কাঁধে মুখ লুকোলেন। রাজা আর রানিমার মুখে হাসি ধরে না।

আর কী! গপ্পো শেষ হল, নটে গাছটি মুড়োল। ও হ্যাঁ, শীত-বসন্তের বাবা রাজামশাই সসম্মানে দুয়োরানিকে পাটরানি করে ফিরিয়ে নিয়ে গেলেন। সুয়োরানি ইতোমধ্যে রাগ আর রক্তচাপে স্ট্রোক হয়ে শয্যেশায়ী, ওঁকে আর কেউ বিশেষ পাত্তা দেয় না। ওঁর সাঙ্গোপাঙ্গ, সখী, দাসী, জল্লাদ, পিসতুতো গুপ্তঘাতক দাদা ইত্যাদির বিদেয় হয়েছে। গ্রীষ্ম, হেমন্ত, বর্ষা দুয়োরানির যত্নে দিব্যি আছে, মাঝে মাঝে দাদা-বউদিদের কাছে বেড়াতে যায়।

অলঙ্করণ- তন্দ্রা বন্দ্যোপাধ্যায়

জয়ঢাকের গল্পঘর

জয়ঢাক প্রকাশন থেকে প্রকাশিত তন্দ্রা বন্দ্যোপাধ্যায়ের  বই। ফ্যান্টাসি , পরাবাস্তব, এস এফ এফ। অর্ডার দিতে ক্লিক করুন

tandrabooks

1 thought on “গল্প-শীত বসন্ত সোনার টিয়ে ইত্যাদি: একটি রূপকথা-তন্দ্রা বন্দ্যোপাধ্যায়-বর্ষা ২০২৩”

Leave a Reply