ছত্তিশগঢ় রাজ্যের এক পাহাড়চুড়োয় একটা ইশকুলে গিয়েছিলাম ছবি আঁকাতে আর গল্প বলতে। সেদিন সকালে বেশ একদল বন্ধুকে নিয়ে ছবি আঁকবার আসর বসল। সেখান থেকে দারুণ দারুণ সব ছবি নিয়ে এসেছি সঙ্গে করে। এ সংখ্যায় তার থেকে তিনখানা ছবি দিলামঃ
প্রথম ছবিটা এঁকেছে ক্লাশ টু এর দিশা লাকরা।
তার ভীষণ প্রিয় এক মা হাতি আর বাচ্চা হাতির গল্পের ছবি এঁকেছে সে। তারা একটা বাগানের মত সাজানো বনে ঘুরে বেড়ায়। প্রথমে আমরা দাঁড়াব সেই বাগানে-

একবার এক বাঘ নাকি এক বাঁদরকে বিয়ে করতে এসেছিল। অন্য বাঁদরেররা সত্যিকারের বাঁদরের জায়গায় তার সামনে রেখে দিল একটা মাটির বাঁদর। তার মাথাটা রাখল আলগা করে বসিয়ে। বাঘ এসে তার হাত ধরতেই মুন্ডু পড়ল খসে আর অমনি সব বাঁদর মিলে কান্না শুরু করে দিল, কনে মরে গেছে। আসল বাঁদরটা বেঁচে গেল। ভাবো কেমন বুদ্ধি! সে গল্পটা ছিল উত্তরপূর্বের শিলং পাহাড়ের মানুষদের গল্প। আর তাই শুনে মধ্যভারতের ছেলে ক্লাশ টু এর কৌশিক বিশ্বাস তার কেমন চমৎকার ইলাস্ট্রেশান করেছে দেখো-

এবারে আনমোলের কথা। সে-ও পড়ে ক্লাশ টু তে। সে এসে চোখ বড় বড় করে বলল, আমি তো রোজ ভূত দেখি! বললাম সেকী রে? রাতে ঘুমোস না? সে বলল, রাতে কোথা? আমি তো ভূত দেখি শুধু দ্দিনের বেলা। ভূতেরা খুব ভালো। এই দেখো। বলেই লাল নীল পেনসিলের বড় বড় টানে সে এঁকে দিল ভরদুপুরে এক জঙ্গলভর্তি গোল গোল মজাদার ভূতেদের ছবি। এই যে সঙ্গে দিলাম।

খুদে স্রষ্টাদের সমস্ত কাজের লাইব্রেরি