সহেলীর আরো গল্পঃ জন্মান্তর রহস্য, ভাই আর বোনের গল্প, হাইজ্যাক কাণ্ড, জড়োয়া হারের রহস্য, সায়নীর বন্ধুরা

অনেকদিন পর পটলডাঙার চার মূর্তি এক হয়েছি। এক-দেড় বছর করোনার জন্য বাড়ি থেকে বের হতে পারিনি। তবে ভার্চুয়ালি আড্ডা হয়েছে। তবে,দুধের স্বাদ যেমন ঘোলে মেটে না, তেমনই ভার্চুয়াল আড্ডায় মন ভরে না।
যাক সে কথা। আজকে নীল রঙের একটা চেক শার্ট আর জিন্স পরেছে টেনিদা। খাঁড়ার মতো নাকটা আরও উঁচু দেখাচ্ছে। একটা বড়ো একটা বিগ শপার হাতে।
“তোমাকে দারুণ দেখাচ্ছে টেনিদা! বিগ শপারে কী আছে গো?” ক্যাবলা জিজ্ঞাসা করে।
টেনিদা বলল, “মনটা খুব ভালো আছে আজ। তাই তোদের জন্য পিৎজা আর পাস্তা বানিয়ে এনেছি।”
“সূর্য আজ পশ্চিমে উঠেছে দেখছি!” ক্যাবলা মাথা নাড়ল, “না-হলে টেনিদা আমাদের জন্য খাবার বানিয়ে আনে!”
টেনিদা খুব রেগে গেল ক্যাবলার ওপর। ছেলেটার সব ব্যাপারেই ফুট কাটা চাই। আমি তাড়াতাড়ি বলে উঠলাম, “ক্যাবলা, ভালো হচ্ছে না কিন্তু। এবার এক চড়ে তোর কান কানপুরে চলে যাবে।”
ঢাকাই হাবুলটা বলল, “বিদেশি খাওন খাইতে পারুম না। আমার আবার প্যাট গুরগুর করত্যাছে।”
“ঠিক আছে, তোমারে খ্যাইতে হইবো না। প্লেট, চামচ সব ভেতরে আছে। প্যালা, ক্যাবলা তোরা ডিস্ট্রিবিউট কর। জলদি।”
আমরা বিনা বাক্যব্যয়ে হুকুম তামিল করলাম। খাবার নিতে নিতে কাবুল ফিসফিস করে বলল, “নিজে বানিয়েছে না ছাই!”
“স্যানিটাইজারে ভালো করে হাত ধুয়েছিস তো?” টেনিদার কপালে ভ্রূকুটি।
আমরা সমবেতভাবে ঘাড় নাড়ি।
“খাবারগুলোতে একবার স্প্রে করে নিলে ভালো হত না?” ক্যাবলা ফুট কাটল।
“আচ্ছা টেনিদা, একটা কথা কও তো। এই ভাইরাস ছড়াইল কেডা?” হাবুল জিজ্ঞাসা করল। ‘খামু না খামু না’ করেও ব্যাটা দিব্যি খেতে শুরু করে দিয়েছে।
“তুই তো আর পেপার-টেপার পড়িস না!” ক্যাবলা বলল, “পড়লেই জানতে পারতিস!”
“সবকিছু পেপারে লেখা থাকে না, বুঝলি?” টেনিদা গম্ভীরভাবে মাথা নাড়ল, “এর পেছনে অনেক উর্বর মস্তিষ্ক আছে। তাদের কথা প্রকাশ্যে আসে না। একবার আমি নিজেই তেমন একজনের পাল্লায় পড়েছিলাম। যাই হোক, সে-যাত্রায় বেঁচে গেছি। না-হলে ভজহরি মুখুজ্জেকে তোরা আর দেখতে পেতিস না।”
শুনে, আমি বলে উঠলাম, “আর এই ভাইরাস স্যানিটাইজার শুনতে ভালো লাগছে না। ঘটনাটা বলো দেখি প্লিজ।”
ক্যাবলা ঘাড় নাড়ল, “হ্যাঁ, গল্প হোক।”
টেনিদা বলতে শুরু করল, “অনেকদিন আগের কথা। আমি তখন লন্ডনে গিয়েছি…”
এই পর্যন্ত শুনেই হাবুল কাশতে আরম্ভ করল। আমি জল এগিয়ে দিয়ে বললাম, “বিষম খাওয়ার আর সময় পেলি না!”
সরু চোখে হাবুলকে একবার দেখে নিয়ে টেনিদা আবার বলতে শুরু করল, “সেই আমার প্রথমবার লন্ডন যাওয়া। সে-সময় অক্সফোর্ডের একজন বাঙালি বৈজ্ঞানিক দাবি করেছিলেন যে ল্যাবে এমন একধরনের ইনসেক্ট তৈরি করা যায় যার কামড়ে একসঙ্গে অনেক মানুষের মৃত্যু হতে পারে মুহূর্তের মধ্যে। তবে সে জিনিস তিনি ভালো কাজে লাগাতে চান। যেমন ইচ্ছামৃত্যু। যাঁরা কোনও জটিল রোগে ভুগছেন, ভালো হয়ে ওঠা সম্ভবই নয়, তাঁরা বা তাঁদের আত্মীয়রা তো সেই মানুষদের ইচ্ছামৃত্যু চাইতেই পারেন। এ ব্যাপারটা আমাদের দেশেও আছে। কারোর মৃত্যু হচ্ছে না অথচ খুব কষ্ট পাচ্ছে, ভালো হবার আর চান্স নেই, সেই ক্ষেত্রে একধরনের পুজো করা হয়। সেটাকে চান্দ্রায়ণ শ্রাদ্ধ বলে।
“সেই বিজ্ঞানীকে তখন নানারকম গালমন্দ করা হয়েছিল। লোকজন পাগল-টাগলও ডেকেছিল। তারপর সব থিতিয়ে যায়। এ ছিল ডিসেম্বরের ঘটনা। এর কিছুকাল বাদে গ্রীষ্ম আসতে পনেরো দিনের ছুটিতে আমার সহপাঠী জিমের সঙ্গে ওদের গ্রামের বাড়িতে গেলাম।
লন্ডন শহর থেকে অনেক দূরে জিমদের বিরাট বাড়ি। পৌঁছে মনে হচ্ছিল যেন সেই ভিক্টোরিয়ান যুগে চলে এসেছি। অত বড়ো বাড়িতে জিমের বাবা, মা আর দু-তিনজন কাজের লোকজন ছাড়া আর কেউ নেই। বাড়ির পেছনে বিশাল আঙুর ক্ষেত।
“এখানে আসার পরদিন একই সঙ্গে দুটো দুর্ঘটনার খবর এল। দুজন মানুষের মৃত্যু হয়েছে অদ্ভুতভাবে। তাদের শরীরের কোথাও না কোথাও মশার কামড়ের চিহ্ন ছিল। একজন রাতে ঘুমিয়ে ছিল, পরের দিন তাকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। আর একজন নিজের বাগানে গাছের পরিচর্যা করছিল। সেই অবস্থায় সে মারা যায়।
প্রথমে লোকে ওতে তত ভয় পায়নি। কিন্তু এর দিনসাতেকের মধ্যে সংখ্যাটা আরো অনেকটা বেড়ে উঠতে লোকজন ভয় পেল। পুলিশ কোনও কূলকিনারা পাচ্ছিল না। লোকজন তখন এলাকা ছেড়ে পালাচ্ছে। লন্ডন থেকে বড়ো বড়ো ডাক্তার আর পোকাবিদরা এসে সব দেখে বলল, নতুন কোনও পোকার আবির্ভাব হয়েছে, তারাই এই মৃত্যুর জন্য দায়ী। কিন্তু কীভাবে তারা এখানে এলো সেই প্রশ্নের সদুত্তর তারা দিতে পারল না। কীভাবে এহেন শত্রুর খপ্পরে পড়া থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে, তারও কোনও উত্তর নেই।
“এরপর একদিন জিমের পোষা কুকুর জ্যাকি মারা গেল। জ্যাকির গায়েও সেই পোকার হুল ফোটানোর দাগ। দেখে জিমের বাবা-মা ভয় পেয়ে আমাদের শহরে ফিরে যেতে বললেন।
“তবে আমার তখন পালাবার কোনো ইচ্ছেই নেই। ঠিক করে ফেলেছি, এই রহস্যের সমাধান আমায় করতেই হবে। তোরা তো জানিস রহস্যের গন্ধ পেলে আমার ষষ্ঠেন্দ্রিয়টা কেমন টনটন করে ওঠে! তা সেই মুহূর্তে সেই টনটনে ষষ্ঠেন্দ্রিয় আমায় জানান দিচ্ছিল,এই ঘটনার সঙ্গে সেই বাঙালি বৈজ্ঞানিকের যোগাযোগ আছে এবং তিনি এখানেই আছেন। খুব কাছেই। কিন্তু মুশকিল হল, আমার তখন এখনকার মতো নামডাক ছিল না যে নিজের প্রভাব খাটিয়ে তাকে খুঁজে বার করব।”
এই পর্যন্ত শুনে আমাদের তিনজনেরই খুব গলা খুসখুস করতে লাগল। টেনিদা বলল, “তোরা সবাই খুব ঠান্ডা খাচ্ছিস মনে হয়!”
আমি বললাম, “যাই হোক, তুমি বলো।”
“হ্যাঁ। আমি রোজ সকালে ব্রেকফাস্ট সেরে বেরিয়ে পড়তাম। সারাটা দিন ঘোরাঘুরির করে সেই বৈজ্ঞানিককে খুঁজে বার করার চেষ্টা করতাম। জায়গাটা খুব ছোটো। অতএব জানতাম, সেখানে কেউ বেশিদিন লুকিয়ে থাকতে পারবে না। আর একটা পয়েন্ট আছে। সেটা পরে বলব।
“ঘোরাঘুরির পাঁচ নম্বর দিনে এসে আর বেরোতে ইচ্ছা করছিল না। হতাশ লাগছিল। গত চারদিন অনেক ঘুরেও কিছু খুঁজে পাইনি। এবার লন্ডনেই ফিরে যেতে হবে। জিমের বাবা-মাও চলে যাবেন। তার গোছগাছ চলছে। তা এমন সময় জিম এসে বলল, ‘তোমার ফোন আছে।’
“রিসিভার কানে নিয়ে হ্যালো বলতেই স্পষ্ট বাংলায় কেউ বলল, ‘ভজহরি, আমি তোমার সঙ্গে দেখা করতে চাই। আমি জানি যে তুমি আমার খোঁজ করছ। আমি তোমার জন্য অপেক্ষা করছি। আমার ঠিকানা লিখে নাও।’
“বুঝতে পারলাম আমি যাঁর খোঁজ করছি তিনিই ফোন করেছেন। আমি চটপট তৈরি হয়ে নিয়ে বেরিয়ে পড়লাম। ঠিকানা দেখে বুঝতে পারলাম এখানে গতকালও এসেছিলাম। আইভি লতায় ঘেরা একটা কটেজ। বেল টিপতেই একজন সাহেব এসে দরজা খুললেন। আমি ভেতরে ঢুকতেই দরজা বন্ধ করে দিলেন। তারপর পরিষ্কার বাংলা ভাষায় আমায় বসতে বললেন।
“আমি হাঁ করে তাকিয়ে আছি দেখে তিনি এবারে বললেন, ‘আমার মা এই দেশের মানুষ হলেও বাবা বাঙালি ছিলেন। আমার চেহারাটা মায়ের মতো হয়েছে।’
“এরপর আমাকে চা বানিয়ে খাওয়ালেন সেই বৈজ্ঞানিক। তাঁর ঘরের ভেতরে জানালাগুলোয় নেট লাগানো। তারপর নিজের গল্প শুরু করলেন। তিনি অক্সফোর্ডে পোকামাকড় নিয়ে গবেষণা করতেন। সেই করতে করতেই তাঁর ল্যাবে এই বিষপোকার জন্ম। এর হুল ফোটানোতে সেকেন্ডের মধ্যে মৃত্যু হবে যে-কোনো প্রাণীর।
“এই নিয়ে গবেষণাপত্রটা প্রকাশিত হবার সঙ্গে সঙ্গে তিনি বিজ্ঞানীদের কাছে বিদ্রূপের পাত্র হয়ে পড়েন। কিন্তু তার চেয়েও বড়ো বিপদ হল, যত রাজ্যের গুণ্ডা-বদমাশ তাঁকে বিরক্ত করতে শুরু করে দিল। এই পোকা তাদের চাই। তাইতে ঘাবড়ে গিয়ে ভদ্রলোক শেষে লন্ডন ছেড়ে তাঁর তৈরি দুখানা বিষপোকা সঙ্গে নিয়ে এই অজ পাড়াগাঁয় অজ্ঞাতবাসে চলে এলেন।
“ তার মানে মৃত্যুগুলো সেই বিষপোকাদের কামড়েই হচ্ছিল। কিন্তু পোকাগুলো বাইরে এল কেমন করে?” ক্যাবলা নিজের চশমা ঠিক করতে করতে প্রশ্ন করে।
“ভদ্রলোক পোকাদুটোকে সাবধানেই রেখেছিলেন বটে। হোমিওপ্যাথির বাক্সের মতো কুঠুরিওয়ালা একটা বাক্সে রেখে তালাবন্ধ করে রাখতেন। কিন্তু, একদিন বাক্স পরিষ্কার করার সময় একটা পোকা কীভাবে যেন বেরিয়ে যায়।
“এই অবধি বলে ভদ্রলোক মাথা নাড়লেন, ‘বুঝতে পেরেছিলাম তুমি মৃত্যুগুলোর সঙ্গে আমার আবিষ্কারটার যোগসূত্রটা অনুমান করতে পেরেছ। আর তাই আমাকেই খুঁজছ তুমি। তখন তোমার খোঁজখবর নিয়ে, নিজে থেকে ফোন করি তোমায়।’
“‘কিন্তু পোকাটাকে এবারে মারবেন কীভাবে?’ বৈজ্ঞানিককে জিজ্ঞাসা করতে উনি নিরীহ মুখ করে চশমা খুলে কাচ পরিষ্কার করতে লাগলেন। মুখে বললেন বটে চেষ্টা করছেন। লোকটার ওপর যা রাগ হচ্ছিল! কিন্তু কী আর করব!
ভাবলাম, আমাকেই তবে কিছু একটা করতে হবে এবারে। উঠে দাঁড়াতে দাঁড়াতে বললাম, ‘ঠিক আছে। আমি দেখছি ব্যাপারটা। কিন্তু আপনি সাবধানে থাকুন, কারণ আমি যদি মৃত্যুগুলোর সঙ্গে আপনার যোগাযোগ অনুমান করতে পেরে থাকি তাহলে যে গুন্ডা-বদমাশরা আপনার পোকা চায়, তারাও তা অনুমান করতে পারবে।’
“শুনে বৈজ্ঞানিকের মুখটা এমন হয়ে গেল যেন ওঁর পেট কামড়াচ্ছে খুব। আর ঠিক তক্ষুনি আমার মোবাইলে জিমের কল এল। ওর মা দুপুরের খাওয়ার জন্য প্লেটে রুটি বেড়ে বসে আছে। ঠিক করলাম, দুপুরে খেতে খেতেই পোকা এলিমিনেশন স্ট্র্যাটেজিটা ঠিক করে ফেলব। উঠে দাঁড়িয়ে দরজা ঠেলে বেরিয়ে এলাম। বিজ্ঞানিও পিছু পিছু বেরিয়ে এসেছিলেন। তাঁর দিকে ঘুরে বললা, ‘খুব সাবধান…’
“এই বলে বারান্দা থেকে নেমে লন-এ পা দিতেই দেখি সাক্ষাৎ মৃত্যু। যমদূতের মত দেখতে এক সাহেব, সে হাতের পিস্তল তুলে বৈজ্ঞানিকের দিকে তাক করেছে।
আর তক্ষুনি ব্যাপারটা ঘটে গেল। হঠাৎ লোকটার পেছনের ঝোপ থেকে বোঁওওওও করে একটা শব্দ উঠল। তারপর নীল রঙের মাছির সাইজের একটা পোকা সাঁই করে এসে লোকটার ঘাড়ে হুল ফুটিয়ে দিল। লোকটাও সঙ্গে সঙ্গে হাত ঘুরিয়ে নিজের ঘাড়ে একটা জ্যাড্যাপহা চাঁটি মেরেই আছাড় খেয়ে মাটিতে পড়ে গেল, আর পোকাটাও চাঁটি খেয়ে হেলিকপটারের মত পাক খেতে খেতে লোকটার গায়ে পড়ে ডানা ছেৎড়ে মরে গেল।
“দৃশ্য দেখে বিজ্ঞানীর মুখ দেখি কাঁদো কাঁদো। জিজ্ঞেস করলাম, ‘কী হল?’ তা, সে মাথা নেড়ে বলল, “আমার সাধের পোকাটা…”
‘তার খানিক বাদে পুলিশ এসে বডি তুলে নিয়ে যাবার আগেই পোকার ডেডবডি বৈজ্ঞানিকের পকেটস্থ হয়েছিল। ফলে পোকা রহস্য আর কেউ জানতে পারেনি। এই হল গিয়ে গল্প।”
“আর বাকি পোকাটার কী হল?” আমার প্রশ্ন।
“বাকি পোকাটাকে লন্ডনে নিয়ে গিয়ে তার জিন-টিন কেটে-জুড়ে সেটাকে অনেকটা প্রজাপতি টাইপের একটা পোকা বানিয়ে দিয়েছিলেন উনি। তার নাম দেয়া হয়, প্যাপিলোনিয়া কিংশুকা।”
“কিংশুকা? কেন?”
“আরে ওই বৈজ্ঞানিকের নাম তো ছিল কিংশুক চ্যাটার্জি! তাই।”
“কিংশুক চ্যাটার্জি? মানে ওই যিনি পোকা গবেষণা নিয়ে সায়েন্স সিটিতে লেকচার দিতে এসেছেন লন্ডন থেকে, উনি?” ক্যাবলা হঠাৎ তড়বড়িয়ে উঠল। টেনিদার হাতে আজকের নন্দবাগান কাগজের ফ্রন্ট পেজেই নামটা জ্বলজ্বল করছে।
আর ঠিক তখনই ঘটনাটা ঘটল। বোঁওওওও শব্দ করে একটা নীল রঙের পোকা হঠাৎ কোত্থেকে উড়ে এসে টেনিদার মাথায় বসল। ঠিক একটা খুদে প্রজাপতির মত দেখতে সেটা। দেখেই ক্যাবলা চিৎকার করে বলল, “এ দেখছি সেই কিংশুক চাটুজ্যের কিংশুকা! সঙ্গে করে নিয়ে এসেছে নাকি গো টেনিদা?”
কোনো উত্তর এলো না। কেবল ধপাস করে একটা শব্দ উঠল। অজ্ঞান হয়ে টেনিদা রক থেকে নীচে পড়ে গেছে।
জয়ঢাকের সমস্ত গল্প ও উপন্যাস